আমার সম্পর্কে

আমার ফটো
Bangladesh
M.A. in English Literature under National University. My Home District in Comilla.

বৃহস্পতিবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬

অবেলার খেলা



জগদীশ জেগে থাক,
চেয়ে থাক চক্ষু ফুরে,
এ খেলার শেষ খেলা হোক,
তোর ঐ গহীন চরে।
জগদীশ দিক বদলা,
বেড় দে খেলোয়ার সব,
কেউ যেন পায় না ছাড়া,
ঢেকে ফেল সারা অবয়ব।
জগদীশ দেরী নয় আর,
কই তুই সাঁঝের বেলা,
তেড়ে আয় ষাঁড় হয়ে আয়,
শেষ কর সাধের খেলা।
জগদীশ জোরে হাট,
লম্বায় দশ হাত তুই,
কত আর খেলবিরে বল,
বাড়ি চল বেলা ডুবে ঐ।
জগদীশ জাতের পাজি,
বংশের একরোখা লোক,
বয়সের ভাড় নাই তার,
সে চায় খেলাটি চলুক।
জগদীশ যুদ্ধে নামে,
এই তার সাধের খেলা,
এ খেলার শেষ নাহি চায়,
খেলা চলে বেলা-অবেলা।

২৫ জানুয়ারি ২০১৬

তেজপাতা



শুকনা পাতা উচুর-মুচুর মর্মরাইয়া শব্দ করে  
শুকনা পাতা ফুসলিয়েদেয় উচুঁ শিখায় আগুনেরে।  
শুকনা পাতায় বিছনা পাতায় আরাম আনে ঘুমের ঘরে 
শুকনা পাতায় ছাউনী টানায় পূর্নতা দেয় ঘরখানারে। 
তেজপাতাও শুকনা পাতা মর্মরাইয়া হয় না ধ্বনি 
তেজপাতারা তেজের ভাড়েই অনলে নয় সঞ্জিবনী।  
তেজপাতারা বিছনা পাতায় দেয় না আরাম ঘুমপাড়ানি 
তেজপাতারা ছাউনী পাতায় অচল অধিক শতখানি।  
একটা গুনেই তেজপাতারা হয় না শামিল এক কাতারে 
নিজের গুনে গুনান্বিত তেজপাতারা পাকের ঘরে। 
তেজপাতারা ঘ্রান বিলিয়ে খাবারে দেয় স্বাদের বাহার  
গুনে গুনে তেজপাতারা কদর শুনে হাজার হাজার।
*********
তেজপাতারা কোথায় তোরা শুনে যারে বাস্তবতা 
 ঘ্রানের ঝাপি খুলতে হলে আনতে হবে শুকনা পাতা। 
 শুকনা পাতার অনলে তুই সিদ্ধ হবি জলের সাথে  
তবেইনারে ঘ্রান বিলাবি স্বাদ আনিতে খাবারেতে।  

২৬ জানুয়ারি ২০১৬

উপদেশ



নারী নিয়ে অনেক কথা হয়েছে, আর নয়।
জানি, বয়সের দোষ, তাই একটু বেশিই হয়।
যত ভাবো তারে, তত বলো কথা। আর কত।
চারপাশে উড়ে বেড়ান পাখি গুলো একটু দেখতো।
কি সুন্দর! ডানা মেলে উড়ে বেড়ায়
বাসা-বাড়ি ছেড়ে দূরে, আরো দূরে যায়
খাবার আনিতে। নিজের জন্য, সন্তানের জন্য,
 পরিবার-পরিজনের জন্য। এ এক অনন্য
অধ্যায় কথা বলার। এটা নিয়ে বলো,
 ভাবো, দেখ একটা পাখি কতটা গোছাল।
ভোরের কুয়াশা মাথায় নিয়ে ছুটে চলে আকাশ 
পথে নিজ গৃহ ছেড়ে। কেউ পায় না তার আভাস।
সারা দিন খেটে-খুটে খাবার নিয়ে ফিরে গোধূলী
বেলায়, নিজ গৃহে। ক্ষুধায় কাতর দুলাল-দুলালী।
কখনো দুপুরের খরা রোদে একটুখানি পানিতে 
 গোসল সেরে নিয়ে আবার ছুটে খাবার আনিতে।
এত সুন্দর টপিক থাকতে কেন নারী
নিয়ে পড়ে থাকা। আমাদের ঘর-বাড়ি,
 শ্বশুর বাড়ি, আত্মীয়-স্বজন কত কি।
হাট-বাজার, অফিস-আদালত, নায়ের মাঝি
স্কুল-কলেজ, পড়া-লেখা, পরীক্ষা-প্রস্তুতি।
এসব নিয়ে কথা বলো। আবেগ-অনুভূতি 
 শেয়ার করো। তা নয়। নারীর চোখের জ্যোতি,
 হাটার ধরন, কথার ধরন, কানের লতি,
 বুকের গড়ন। আরো কত কি আসে।
সব বয়সের দোষ। তোমাদের মত এই বয়সে
সবাই একটু-আকটু নারীয় গবেষনা চালায়।
বয়স বাড়লে অনুশোচনা বাড়ে। দীর্ঘশ্বাস ছড়ায়
নিঃশ্বাস ভরে। নারীকে অক্সিজেন হিসেবে নিয়ে
যৌবন শুরু করা মানুষগুলো যৌবন হারিয়ে
গেয়ে উঠে, আহঃ! একি হলো, একি হলো।

২ ফেব্রুয়ারি ২০১৬