আমার সম্পর্কে

আমার ফটো
Bangladesh
M.A. in English Literature under National University. My Home District in Comilla.

রবিবার, ৩০ জানুয়ারি, ২০১১

নিরব স্বপ্ন

আমি এক শান্ত বিড়াল ক্ষান্ত মনে,
ক্লান্ত এখন অনুক্ষনে,
শূন্য মনে ক্ষুদ্র আভাস আচ্ছা দিতে
আমি একা বসন্তে তাই বিহঙ্গনে।
পান্থ চেয়ে একা একা ভোর বিহনে
কতক বিহান কাটল একা, কেউ না জানে।
হয়ে আছি নিরন্ন তাই নীল নয়নে।
কতক শিমূল দেখলাম আমি দুই নয়নে।
আজোবধি হয়নি দেখা অন্যের সনে,
আমি তরুন, উনিশেতে পা রাখিনে,
আঠারতে আছি এখন ধ্যানে ঞ্জানে।
হাহাকারের চিহ্ন ভাসে আমার মনে,
কোথায় গেলে পাব যে সুখ কেউ না জানে,
আমি অধম, আমারও নেই তাহা ঞ্জানে,
তাইতো আজি শান্ত আজি ক্ষান্ত মনে।

অবাক কাহিনী

আমি বিখ্যাত কোন কবি নই,
যে প্রেমে ব্যর্থ হয়ে অমর কবিতা লিখব।
আমি এমন কোন উপন্যাসিক নই,
যে প্রেমে ব্যর্থ হয়ে উপন্যাস লিখব।
আমি সাধারন একজন মানুষ,
যে সর্বদাই সুখ খুঁজে প্রকৃতির সুন্দর লীলাভূমে।

আমি নই কোন রচনাকার,
যে ছলনাতে ব্যর্থ হয়ে প্রেমের রচনা লিখব।
আমি শুক্লপক্ষের কোন সমঝদার নই,
যে অনবরত আকাশের পানে তাকিয়ে প্রিয়ার মুখ খানা অংকন করব।
আমি ক্ষুদ্র-অতি নগন্য,
যে সাগরের ঢেউ দেখে মনে আনন্দ সঞ্চার করে।

মঙ্গলবার, ২৫ জানুয়ারি, ২০১১

ভাঙ্গা মন

যদি একটি যুদ্ধে একাধিক প্রান যেতে পারে।
যদি একাধিক প্রানের বিনিময়ে একটা স্বাধীনতা আসতে পারে।
তবে একটা মনের বিনিময়ে একটা মন আসবে না কেন?

যদি একটি বসন্তের জন্যে একাধিক কৃষ্ণচূড়ার ফুল ফুটতে পারে।
যদি একাধিক ফুল একাধিক নারীর খোপায় শোভা পেতে পারে।
তবে আমার একটা মনে একটা নারী শোভা পাবে না কেন?

যদি একটি গাছে অনেক সংখ্যক কলি আসতে পারে।
যদি অনেক সংখ্যক অলি একটা চাকে মধু সংগ্রহ করতে পারে।
তবে একটা মন কেন তার কাঙ্খিত মনের সাথে আবদ্ধ হতে পারে না?

আমি উত্তর চাই সেই নারীর কাছে
যে আমায় বিতাড়িত করেছে তার মুক্ত ভালবাসা থেকে?

শনিবার, ২২ জানুয়ারি, ২০১১

শপথ

বিদ্রোহ যার তুঙ্গে থাকে
সাফল্য তার মুষ্ঠাঘাত।
রক্ততারি বজ্র সম
স্ফুলিঙ্গে হয় কুপোকাত।
অঙ্গে মোদের শক্তি বাঁধা
শপথ নিয়ে সামনে চল।
বিচূর্ন কর দুর্নীতি সব
পিষ্ট করে পদতল।
বিপদ মোদের নিত্য সঙ্গী
করবোনারে কোন ভয়।
করব আদায় মোদের দাবি
যতক্ষন না আদায় হয়।

শুক্রবার, ২১ জানুয়ারি, ২০১১

সাধনা

জটিল কাজে জঘন্য ভাব, সরলতায় মিথ্যাচার।
পুন্য কাজে পাপের হাছিল, সত্য শেখায় অত্যাচার।
মধ্যপন্থী ভুক্তভোগী, ভাগ্য দোষে অবিরাম।
জলকে পানি স্থলকে ডাঙ্গা, এটুক বলেই ধরাধাম।
পাপিষ্ট আজ পথ খুঁজছে, বসন্ত যার অস্তাচল।
দ্বাদশ গেল সুপ্ত ধাচে, অবাক শুনে গুপ্ত ছল।
সবাক যখন সরল ভাবুক, নিত্য শুনে প্রবঞ্চন।
স্বপ্ন ধারক দু:খে হাসে, কাঙ্গালীনির অনশন।
রক্ত গেল পাপের তলে, অশ্রু পেল গঙ্গাজল।
দুর্বিষহ যন্ত্রনা আজ, খাচ্ছে কুঁড়ে দ্বাদশ ফল।

বুধবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০১১

বিষাদী মন

আয়েশের এই পূথিবী, যদিরে পায়েশ হত
ক্ষুধাতুর লাখ জনতা, তারে আজ পিশে খেত।
যদিরে হত রুটি, ধরতো পুটি এই জনতা
তারে আজ ভেজে খেত, রুটির সাথে খুব সাধুতা।
তবে কি ডঙ্কা লেগে সব জনতা মন্দা আভায়?
নাকিরে মন্দ ভাগ্যে পতিত সব, তাও ভাবায়।
এটাতো ক্ষুধার জ্বালা, থাকার জ্বালাও অন্যতম
ক'জনইবা পাচ্ছে দেখ, বাসস্থানের জায়গা সম।
স্বামীকে বলছে কতই, স্বামী যে বয়রা পাজি
সে যে সব শুনেও আবার না শুনার ভান করছে রোজই।
তবে কি তালাক দিবে, এই স্বামীকে এই গূহিনী
নাকি সে আস্তাখুড়েঁ থাকবে পড়ে আজীবনই।
এতসব সমস্যাতেও ভাবছে যখন দারুন আশা
তখনও হোচঁট খেয়ে, হারাচ্ছে তার মুখের ভাষা।
চিরতার মতই এবার এই পূথিবী তাহার কাছে
হঠাৎই গেল চলে, সবকে ফেলে নিজের ধাচে।

মঙ্গলবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০১১

অভিমত

রাজনীতিদের রচনা
করল আবার ঘোষনা,
নামটি তাহার ইশতেহার
চুক্তি নয় তা চটকদার।

ফর্দা আছে এই নোটে
ভাগ্য বাধা কাম ভোটে,
যোগ্য যদি নাই বা পাও
শেষ ভরসা না ভোট দাও।

কু-কর্ম আর কুত্তাচার
লিপ্ত যে সব জানোয়ার,
জেনে শুনে তাদের আর
যায় না দেয়া শাসন ভার।

অযোগ্যদের চাইনা আর
চাই না কোন দখলদার,
ভূমিদস্যু, সন্ত্রাসবাজ
না-ভোটই তার প্রাপ্য আজ।