আমার সম্পর্কে

আমার ফটো
Bangladesh
M.A. in English Literature under National University. My Home District in Comilla.

সোমবার, ৬ জুন, ২০১১

অলসতা ও প্রেম

অলস জীবন আমাকে প্রেম করতে প্রলুব্ধ করেছে।
পরীশ্রমী জীবন আমাকে এগিয়ে যাবার পথ দেখিয়েছে।
ছন্নছাড়া জীবন আমাকে ঘর ছাড়তে বাধ্য করেছে।
অভাব আমাকে চুরি করার পথ শিখিয়েছে।

যখন আমি অলস ছিলাম তখন দ্বারে দ্বারে প্রেম খুজেঁছি।
দিনের অধিকাংশ সময় কেটেছে প্রেমের সাগরে নৌকা বেয়ে।
আমি সামনে এগিয়ে গেছি পরিশ্রম করে।
আমি যতই সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার জন্য পরিশ্রম করেছি,
ততই সামনের দিকে এগিয়ে গেছি।
একটা সময় আমি আমার ঘর ত্যাগ করেছি।
যখন আমি অনেক দূর চলে গিয়েছি,
তখন আমার কাছে সম্বল বলতে কিছুই ছিল না।
অভাবের তাড়নায় আমি নদী পথেই চুরির ধান্দা করতে বাধ্য হয়েছি।

এই সব কিছুর মূলেই ছিল অলস প্রেম।
এরাই আমাকে আজ পথে নামতে বাধ্য করেছে।
আমি এখন পথের ফকির, পথই আমার ঘর।
অলসতা আমাকে ফকির বানিয়েছে,
তাই কেই অলস থেকো না।

রবিবার, ৫ জুন, ২০১১

আলসে গাধী

থাকি না হয় একটু খানি তাতে কি বা আসে যায়,
স্বাধীনতা পেলাম তাইতো থাকতে আমার ইচ্ছা হয়।
একলা থাকার স্বভাব যে নেই কিই বা উপায় আছে আর,
বকা কয়টা খেয়েও না হয় সময়টাকে করি পার।
স্যারেরা সব নেই বলে তো কাজের বেলায় ফুরুৎ ফারুৎ,
সুর মিলিয়ে চলছে আড্ডা হচ্ছে যেন কথার দুরুদ।
আমি একটু করেছি কাজ আমার ডেস্কে বসে,
স্বাক্ষী আছে অরুন দাদা যাচ্ছেন কোথায় হেসে।
সারাটা দিন কাটিয়ে দিলেন আড্ডা বাজি করে,
আমি একটু বসছি তাতেই রাগে যাচ্ছেন মরে।
শালার নারী জাতি আজীবনই থাকবে এমন গাধী,
দু:খ লাগে তাদের প্রতি যারা করছে তাদের সাদী।

শুক্রবার, ২৭ মে, ২০১১

শপথ

শপথ

শপথ নিলাম এই ভাবিয়া মনে মনে আজ
হাসি খুশি থাকবো আমি
জগত মাঝে বাঁচবো আমি
অধিকারের ঝান্ডা নিয়ে সদাই ভুলে লাজ।
কে যে পাপী, কেই বা ভাল, কে যে আমার সঙ্গী হলো
মন্দে আমার জন্ম হলো
দ্বন্দ্বে কাটছে এই জীবন,
অর্ধ আমি, পূর্ন নহী, পূন্য নহে আমার কাজ।
চাইনা আমি এমন নীতি,
চাইছি আমি সাম্য প্রীতি,
থাকবো নাকো চার দেয়ালে বন্দী হয়ে সকাল-সাঁঝ
করবো আদায় নারীর দাবী দূরে ঠেলে এই সমাজ।

রবিবার, ৮ মে, ২০১১

উপলব্ধি

আমি গাও-গেরামের পোলা,
যতটা খারাপ ঠিক ততটাই ভালা।
আমি দেখেছি অন্য গাছে বেয়ে উঠা স্বর্নলতার দল।
আমি দেখেছি বর্ষার রাতে সাপের ছোবল ।
আমার পূর্ব পুরুষদের কেউ ছিল জমিদার, কেউ ছিল লাঠিয়াল।
কেউ ছিল কুচক্রী, আবার কেউ ছিল গাড়িয়াল।
আমার দৃষ্টি ভঙ্গি যতটা প্রসারিত, ঠিক ততটাই সংকুচিত।
আমার চাওয়া-পাওয়ার ধরন অনেকটা লজ্জাবতী লাজুক লতার মত।
গ্রামের আকাঁ বাঁকা নির্জন পথের সাথে আমার আছে দীর্ঘ দিনের বন্ধুত্ব।
চৈত্রের খড়রোদে মাঠ থেকে এসে পুকুরের ঠান্ডা জলে ঝাপ দেয়ার অভিঙ্গতা।
গ্রামের দেন-দরবারে ছিল আমার সরব উপস্থিতি।
চৈতালী হাওয়ায় ঘুড়ির নাটাই নিয়ে নির্ভার মনে দৌড়ানো ছিল নেশা।
আর আমার বেকারত্ব হচ্ছে এখনকার পেশা।

সুখের পদ্ম

তোমার মনের কারাগারে
বন্দী করে রেখো মোরে।
সার্থক প্রেম হবে আমার
থাকো যদি এই অন্তরে।
থাকবো আমি সারা জীবন
দেখবো ছায়ার সুন্দর ভূবন।
দেখবো আমি আসল মায়া
সুখের পাতার রঙ্গিন ছায়া।
সুখের ঘরে শাখার ছবি
হবো মোরা দুজন কবি।
দুজন মিলে লেখবো ছন্দ
আকঁবো মোরা সুখের পদ্ম।

মঙ্গলবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১১

ইচ্ছে

ছন্নছাড়া জীবন আমার, এখন আমি দেউলিয়া,
ভবঘুরে মনটা আমার, চাইছে হতে আউলিয়া।
আমি কবি সহজ সরল, হইতে পারি সংকুলান,
জন্ম আমার আতুর ঘরে, কর্ম আমার কৃষ্টিবান।
ব্যর্থ শত চাওয়া পাওয়া, সফলতার বালাই নাই,
তবু আমি আর একটা বার, একটু সুযোগ পেতে চাই।
ভয় আমাকে না পায় ছুতে, ক্ষয় আমাকে করছে গ্রাস,
ছোট খাট পাপ গুলো তাই, হচ্ছে আমার গলার ফাঁস।
চন্দ্র আমায় হাত ছানি দেয়, সূর্য্য আমায় নেয় টেনে,
তার আগুনে পুড়ে পুড়ে, হচ্ছিরে ছাই রাত দিনে।

হটাও-৩

আমাদের দুই নেত্রী আছে মহারানী ভাব,
পরের টাকায় পোদ্দারীতে করছে বহুত লাভ।
যখন তখন নিচ্ছে কেড়ে জনগনের ধন,
এমন নেত্রী হটাবো আজ করিয়াছি পন।
কাজের বেলায় ফুরুত-ফারুত কথার বেলায় জোশ,
দেশ দরদী কাজের বেলায় তাই থাকেনা হুশ।
আমলা কর, মামলা কর, হামলা কর শত,
ক্ষমতাতে থাকার বেলায় এটাই তাদের ব্রত।
বিরুধি দর ইস্যু খোঁজে খারাপ কিছুর আশে,
হরতালেতে দেশ ডুবিয়ে চিপায় বসে হাসে।
এই আমাদের নেত্রীদ্বয়ের সরল মনের কাজ,
হটাও তাদের, এটাই দাবি করছি আমি আজ।