আমার মনের লীলা বুঝলনা কেউ, মাথায় বৃন্দাবন
এখন বৃহস্পতির তলানীতে যাত্রী অবুঝ মন।
আমি দুই নায়েতে পা দিয়েছি বেশি লোভের আশে
আমার একটা নায়ে ধাক্কা মারে অন্য নায়ের পাশে।
কখন ডুববো আমি গভীর জলে
কুলহীনা এই সাগর তলে
একলা মাঝি দুই নায়েতে কেমনে হবো পার?
একটা আমার নিজের গড়া, আপন হাতের রেশ
লেগে আছে সব খানেতে রূপ মাধুর্য্য বেশ।
অন্যটা ঐ দূরের দেশের, চোক্ষে দেখি নাই
শুধু জোড়ের বশে মাজে মাঝে একটু খানি বাই।
এখন এই তরিও আমার মাঝে
জল কেলিতে মন কেড়েছে
কেমন করে ত্যাগ করিব, ভাবছি এখন তাই।
দিন কাটে আজ জল কেলিতে, নৌকা দুটো ঘাটে বেধে
হাসি-খুশি কাটাচ্ছি ঠিক, গোপনে যে মনটা কাঁদে।
মনে আমার সূতার বাধন, ঝুলে থাকে সারাটাক্ষন
বাতাস যেদিক বইতে থাকে, সেদিকটাকেই করে আপন।
হাজার আশার স্বপ্ন আমার
কুঁড়ে কুঁড়ে খাচ্ছে আধাঁর
অন্ধকারে ডুবছি আমি বিকট অন্ধকার
আমার সুখ পাখিটা নাইযে সুখে, শুন্যে বসত তার।
আমার সম্পর্কে
- Md. Yakub Ali
- Bangladesh
- M.A. in English Literature under National University. My Home District in Comilla.
রবিবার, ১৭ জুলাই, ২০১১
সোমবার, ১১ জুলাই, ২০১১
পার্শ্ব অনুভব
চাকরিজীবী একটি মেয়ে প্রথম দেখায় মন কাড়িল
এ কয় দিনে যা বুঝিলাম, মেয়েটি খুব ঘর গোছালো।
ফেল-ফেলিয়ে তাকিয়ে শুধু তাহার চোখের নজর কাড়ি
কখনো বা ইচ্ছা করে মজার ছলে পাতছি আড়ি।
রূপ যে তাহার খুব যে কাঁচা বলবো না তাও রূপবতী
বলবো শুধু তাকে ভেবেই কাটছে আমার দিন আর রাতি।
চাঁদের বুঝি একটি প্রহর আসলো নেমে মনের বাড়ি
তাইতো আমি উচ্ছলিত, উদ্বেলিত, গুলবাহারি।
ঠোট যে তাহার ধনুক বাঁকা রামধনুটির অট্টহাসি
মায়াবি তার কন্ঠ যেন রাখাল ছেলের পোড়া বাঁশি।
হাত দু'খানার শোভা যেন বাড়িয়ে দিল সোনার কাঁকন
মায়াবি তার নখ গুলিও হৃদয় কাড়ে যখন তখন।
একটু খানি তাকাই যখন সব ভুলে যাই এক নিমিষে
চাঁদটা বুঝি আসলো নেমে বসলো শুধু আমার পাশে।
আমি তাহার রূপ দেখেছি, ঢেউয়ের আগে ছলছলিয়ে
কি যে মায়া ছড়ায়!আমি এক পলকেই যাই হারিয়ে।
এই মেয়েটি এখন আমার বায়ের দিকের একটা আপু
বড় আপু বড়ই র'ল হইলো না রে আমার বাপু।
এ কয় দিনে যা বুঝিলাম, মেয়েটি খুব ঘর গোছালো।
ফেল-ফেলিয়ে তাকিয়ে শুধু তাহার চোখের নজর কাড়ি
কখনো বা ইচ্ছা করে মজার ছলে পাতছি আড়ি।
রূপ যে তাহার খুব যে কাঁচা বলবো না তাও রূপবতী
বলবো শুধু তাকে ভেবেই কাটছে আমার দিন আর রাতি।
চাঁদের বুঝি একটি প্রহর আসলো নেমে মনের বাড়ি
তাইতো আমি উচ্ছলিত, উদ্বেলিত, গুলবাহারি।
ঠোট যে তাহার ধনুক বাঁকা রামধনুটির অট্টহাসি
মায়াবি তার কন্ঠ যেন রাখাল ছেলের পোড়া বাঁশি।
হাত দু'খানার শোভা যেন বাড়িয়ে দিল সোনার কাঁকন
মায়াবি তার নখ গুলিও হৃদয় কাড়ে যখন তখন।
একটু খানি তাকাই যখন সব ভুলে যাই এক নিমিষে
চাঁদটা বুঝি আসলো নেমে বসলো শুধু আমার পাশে।
আমি তাহার রূপ দেখেছি, ঢেউয়ের আগে ছলছলিয়ে
কি যে মায়া ছড়ায়!আমি এক পলকেই যাই হারিয়ে।
এই মেয়েটি এখন আমার বায়ের দিকের একটা আপু
বড় আপু বড়ই র'ল হইলো না রে আমার বাপু।
শনিবার, ৯ জুলাই, ২০১১
চাঁদ-ইয়াকুব
পূর্নিমার চাঁদ ধরার ইচ্ছা সাধ্য আমার নাই
কেমন করে পাবো নাগাল ভেবে না কুল পাই
যে চাঁদ আমায় নিকট থেকে
ইশারাতে শুধু ডাকে
সে চাঁদ আমি কেমন করে বুকে দেব ঠাই
আমার কুলের অন্ত নাই
আমার বাড়ির অন্ত নাই
আমার ঘরের খবর নাই
আমার কিছু বলতে নাই।
আমিযে ঐ চাঁদকে ডাকি চাঁদকি তাহা বুঝে
ঘর ছাড়িয়া যে পথ নিলাম সে পথ চাঁদের খোজে
ফোঁকলা দাঁতে যখন হাসে
তার সাথে এই হৃদয় ভাসে
এই ভাসাতে আমি ভাসি শূন্যে উঠবো তাই
আমার দিল-দড়িয়া নাই
আমার মনের মানুষ নাই
আমার চাঁদের বুড়ি নাই
আমার কিছু বলতে নাই।
পাশাপাশি চাঁদ আর আমি অনেক দিনের ভাব
ফেল-ফেলিয়ে তাকাই ভাবি কি আর হবে লাভ
একাকিত্বে ভালবাসা
বন্দী হলো মনের আশা
ছিন্ন পাতার রূপ ধরে তাই আকাশে বেড়াই
আমার কুলের অন্ত নাই
আমার দিল-দরিয়া নাই
আমার ঘরের খবর নাই
আমার মনের মানুষ নাই।
কেমন করে পাবো নাগাল ভেবে না কুল পাই
যে চাঁদ আমায় নিকট থেকে
ইশারাতে শুধু ডাকে
সে চাঁদ আমি কেমন করে বুকে দেব ঠাই
আমার কুলের অন্ত নাই
আমার বাড়ির অন্ত নাই
আমার ঘরের খবর নাই
আমার কিছু বলতে নাই।
আমিযে ঐ চাঁদকে ডাকি চাঁদকি তাহা বুঝে
ঘর ছাড়িয়া যে পথ নিলাম সে পথ চাঁদের খোজে
ফোঁকলা দাঁতে যখন হাসে
তার সাথে এই হৃদয় ভাসে
এই ভাসাতে আমি ভাসি শূন্যে উঠবো তাই
আমার দিল-দড়িয়া নাই
আমার মনের মানুষ নাই
আমার চাঁদের বুড়ি নাই
আমার কিছু বলতে নাই।
পাশাপাশি চাঁদ আর আমি অনেক দিনের ভাব
ফেল-ফেলিয়ে তাকাই ভাবি কি আর হবে লাভ
একাকিত্বে ভালবাসা
বন্দী হলো মনের আশা
ছিন্ন পাতার রূপ ধরে তাই আকাশে বেড়াই
আমার কুলের অন্ত নাই
আমার দিল-দরিয়া নাই
আমার ঘরের খবর নাই
আমার মনের মানুষ নাই।
বুধবার, ৬ জুলাই, ২০১১
আত্মসমালোচনা-২
কেউ আমাকে বোকা বলে কেউ বা বলে বেয়াকুব
কেউ বা আবার আলতো করে বলে আমি চালাক খুব।
কেউ আমাকে ইর্ষা করে ছেচড়া বলে গালি দেয়
কেউ বা আবার পাগল বলে হাসতে হাসতে চলে যায়।
কেউ আমাকে ফাজিল বলে মাথার উপর চড় মারে
কেউ বা আবার মিষ্টি করে দুষ্ট বলে মনকাড়ে।
পোংটা বলে, চিমকা বলে, সরল বলে কতকজন
আমিযে কে, কিই বা চাওয়া, জানে শুধু আমার মন।
সত্য আমি, মুক্ত আমি, দৃঢ় আমার মনোবল
চাইনা আমি আমার মাঝে জেকে বসুক খারাপ ছল।
এই জীবনের লীলা খেলা থাকবে নাকো আজীবন
আর কত কাল থাকবো মেতে এই খেলাতে বলরে মন।
যারা আমায় ভালবাসে, তারাই তো ভাই খারাপ কয়
আমার খারাপ যে না বুঝে সে তো আমার বন্ধু নয়।
আমি পাপী, চরম পাপী, পাপটা আমার অহংকার
পাপের বোঝা মাথায় নিয়েই কাটছে জীবন চমৎকার।
মন্দ গালি মন্দ হয়েই থাকবে ধরায় অবিকল
থাকবো না তো আমিরে ভাই তাকবে আমার কর্মফল।
কেউ বা আবার আলতো করে বলে আমি চালাক খুব।
কেউ আমাকে ইর্ষা করে ছেচড়া বলে গালি দেয়
কেউ বা আবার পাগল বলে হাসতে হাসতে চলে যায়।
কেউ আমাকে ফাজিল বলে মাথার উপর চড় মারে
কেউ বা আবার মিষ্টি করে দুষ্ট বলে মনকাড়ে।
পোংটা বলে, চিমকা বলে, সরল বলে কতকজন
আমিযে কে, কিই বা চাওয়া, জানে শুধু আমার মন।
সত্য আমি, মুক্ত আমি, দৃঢ় আমার মনোবল
চাইনা আমি আমার মাঝে জেকে বসুক খারাপ ছল।
এই জীবনের লীলা খেলা থাকবে নাকো আজীবন
আর কত কাল থাকবো মেতে এই খেলাতে বলরে মন।
যারা আমায় ভালবাসে, তারাই তো ভাই খারাপ কয়
আমার খারাপ যে না বুঝে সে তো আমার বন্ধু নয়।
আমি পাপী, চরম পাপী, পাপটা আমার অহংকার
পাপের বোঝা মাথায় নিয়েই কাটছে জীবন চমৎকার।
মন্দ গালি মন্দ হয়েই থাকবে ধরায় অবিকল
থাকবো না তো আমিরে ভাই তাকবে আমার কর্মফল।
রবিবার, ৩ জুলাই, ২০১১
উপলব্ধি-২
যদি বলি নস্টালজিয়া, তবে হবে ভুল
যদি বলি সত্য তবে হারাবো সব কূল।
সামনে আমার যে পথ আছে বালুর আস্তরন
হাঁটতে গেলে হোচট খেয়ে হচ্ছি অচেতন।
কল্পনা যা দেখছি আমি কল্প লোকে ভেসে
চেয়ে দেখ অধরাতেই থাকবে অবশেষে।
এ দেশ আমার গর্ব করে বলছি বারেবার
এই দেশেতে জন্মে আমি করছি অহংকার।
রূপ লাবন্যে ভরা এ দেশ ভারী চমৎকার
রূপের গুনে মজে আমি করছি নমস্কার।
ভন্ডামিতে ভরা এদেশ চোরের অভাব নাই
তবু আমি অহংকারের ঝান্ডা বয়ে যাই।
বিচার বুদ্ধি যেটুক তাহা ঠুটু জগন্নাথ
নিজের কাজে নির্বিচারে মারছি পরের জাত।
হুকুম আমায় না পায় ছুতে আমার হুকুমদারি
কে আমাকে ঠেকাবে ভাই এদেশ আমার বাড়ি।
বুকের কাপড় ঘুড়ির লেজের রূপ নিয়েছে আজ
কেন জানি এখন তারা থাকতে চায়না ভাজঁ।
নিচের কাপড় বালির সাথে সন্ধি পেতে তাই
হরেক রকম চিত্র এঁকে যাচ্চে অযথাই।
হকার আছে, ভিক্ষুক আছে পথের মোরে মোরে
টিকে থাকার যুদ্ধে তারা পায়ের সাথে ঘুরে।
তারাও নয় খুব ভাল লোক কিছু মানুষ ছাড়া
স্বার্থের আশায় তারাও ভাই অন্যকে দেয় তাড়া।
সত্য আমি সঠিক পথে চলবো আজীবন
বুকের উপর হাত রাখিয়া এই করিলাম পণ।
এমন মানুষ এই জগতে খুঁজে পাওয়া ভাড়
ওয়াদা কেউ করলেও ভাই পন্ডু হবে তার।
মুখে মুখে আমরা শালা রাজা মন্ত্রী হই
কাজের বেলায় আর ফুটেনা মিষ্টি কথার খই।
এই দেশেতে আইন-কানুনের হাত পা অনেক বেশি
তাইতো আমরা সোনার দেশে সোনার বাংলাদেশি।
যদি বলি সত্য তবে হারাবো সব কূল।
সামনে আমার যে পথ আছে বালুর আস্তরন
হাঁটতে গেলে হোচট খেয়ে হচ্ছি অচেতন।
কল্পনা যা দেখছি আমি কল্প লোকে ভেসে
চেয়ে দেখ অধরাতেই থাকবে অবশেষে।
এ দেশ আমার গর্ব করে বলছি বারেবার
এই দেশেতে জন্মে আমি করছি অহংকার।
রূপ লাবন্যে ভরা এ দেশ ভারী চমৎকার
রূপের গুনে মজে আমি করছি নমস্কার।
ভন্ডামিতে ভরা এদেশ চোরের অভাব নাই
তবু আমি অহংকারের ঝান্ডা বয়ে যাই।
বিচার বুদ্ধি যেটুক তাহা ঠুটু জগন্নাথ
নিজের কাজে নির্বিচারে মারছি পরের জাত।
হুকুম আমায় না পায় ছুতে আমার হুকুমদারি
কে আমাকে ঠেকাবে ভাই এদেশ আমার বাড়ি।
বুকের কাপড় ঘুড়ির লেজের রূপ নিয়েছে আজ
কেন জানি এখন তারা থাকতে চায়না ভাজঁ।
নিচের কাপড় বালির সাথে সন্ধি পেতে তাই
হরেক রকম চিত্র এঁকে যাচ্চে অযথাই।
হকার আছে, ভিক্ষুক আছে পথের মোরে মোরে
টিকে থাকার যুদ্ধে তারা পায়ের সাথে ঘুরে।
তারাও নয় খুব ভাল লোক কিছু মানুষ ছাড়া
স্বার্থের আশায় তারাও ভাই অন্যকে দেয় তাড়া।
সত্য আমি সঠিক পথে চলবো আজীবন
বুকের উপর হাত রাখিয়া এই করিলাম পণ।
এমন মানুষ এই জগতে খুঁজে পাওয়া ভাড়
ওয়াদা কেউ করলেও ভাই পন্ডু হবে তার।
মুখে মুখে আমরা শালা রাজা মন্ত্রী হই
কাজের বেলায় আর ফুটেনা মিষ্টি কথার খই।
এই দেশেতে আইন-কানুনের হাত পা অনেক বেশি
তাইতো আমরা সোনার দেশে সোনার বাংলাদেশি।
সোমবার, ৬ জুন, ২০১১
অলসতা ও প্রেম
অলস জীবন আমাকে প্রেম করতে প্রলুব্ধ করেছে।
পরীশ্রমী জীবন আমাকে এগিয়ে যাবার পথ দেখিয়েছে।
ছন্নছাড়া জীবন আমাকে ঘর ছাড়তে বাধ্য করেছে।
অভাব আমাকে চুরি করার পথ শিখিয়েছে।
যখন আমি অলস ছিলাম তখন দ্বারে দ্বারে প্রেম খুজেঁছি।
দিনের অধিকাংশ সময় কেটেছে প্রেমের সাগরে নৌকা বেয়ে।
আমি সামনে এগিয়ে গেছি পরিশ্রম করে।
আমি যতই সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার জন্য পরিশ্রম করেছি,
ততই সামনের দিকে এগিয়ে গেছি।
একটা সময় আমি আমার ঘর ত্যাগ করেছি।
যখন আমি অনেক দূর চলে গিয়েছি,
তখন আমার কাছে সম্বল বলতে কিছুই ছিল না।
অভাবের তাড়নায় আমি নদী পথেই চুরির ধান্দা করতে বাধ্য হয়েছি।
এই সব কিছুর মূলেই ছিল অলস প্রেম।
এরাই আমাকে আজ পথে নামতে বাধ্য করেছে।
আমি এখন পথের ফকির, পথই আমার ঘর।
অলসতা আমাকে ফকির বানিয়েছে,
তাই কেই অলস থেকো না।
পরীশ্রমী জীবন আমাকে এগিয়ে যাবার পথ দেখিয়েছে।
ছন্নছাড়া জীবন আমাকে ঘর ছাড়তে বাধ্য করেছে।
অভাব আমাকে চুরি করার পথ শিখিয়েছে।
যখন আমি অলস ছিলাম তখন দ্বারে দ্বারে প্রেম খুজেঁছি।
দিনের অধিকাংশ সময় কেটেছে প্রেমের সাগরে নৌকা বেয়ে।
আমি সামনে এগিয়ে গেছি পরিশ্রম করে।
আমি যতই সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার জন্য পরিশ্রম করেছি,
ততই সামনের দিকে এগিয়ে গেছি।
একটা সময় আমি আমার ঘর ত্যাগ করেছি।
যখন আমি অনেক দূর চলে গিয়েছি,
তখন আমার কাছে সম্বল বলতে কিছুই ছিল না।
অভাবের তাড়নায় আমি নদী পথেই চুরির ধান্দা করতে বাধ্য হয়েছি।
এই সব কিছুর মূলেই ছিল অলস প্রেম।
এরাই আমাকে আজ পথে নামতে বাধ্য করেছে।
আমি এখন পথের ফকির, পথই আমার ঘর।
অলসতা আমাকে ফকির বানিয়েছে,
তাই কেই অলস থেকো না।
রবিবার, ৫ জুন, ২০১১
আলসে গাধী
থাকি না হয় একটু খানি তাতে কি বা আসে যায়,
স্বাধীনতা পেলাম তাইতো থাকতে আমার ইচ্ছা হয়।
একলা থাকার স্বভাব যে নেই কিই বা উপায় আছে আর,
বকা কয়টা খেয়েও না হয় সময়টাকে করি পার।
স্যারেরা সব নেই বলে তো কাজের বেলায় ফুরুৎ ফারুৎ,
সুর মিলিয়ে চলছে আড্ডা হচ্ছে যেন কথার দুরুদ।
আমি একটু করেছি কাজ আমার ডেস্কে বসে,
স্বাক্ষী আছে অরুন দাদা যাচ্ছেন কোথায় হেসে।
সারাটা দিন কাটিয়ে দিলেন আড্ডা বাজি করে,
আমি একটু বসছি তাতেই রাগে যাচ্ছেন মরে।
শালার নারী জাতি আজীবনই থাকবে এমন গাধী,
দু:খ লাগে তাদের প্রতি যারা করছে তাদের সাদী।
স্বাধীনতা পেলাম তাইতো থাকতে আমার ইচ্ছা হয়।
একলা থাকার স্বভাব যে নেই কিই বা উপায় আছে আর,
বকা কয়টা খেয়েও না হয় সময়টাকে করি পার।
স্যারেরা সব নেই বলে তো কাজের বেলায় ফুরুৎ ফারুৎ,
সুর মিলিয়ে চলছে আড্ডা হচ্ছে যেন কথার দুরুদ।
আমি একটু করেছি কাজ আমার ডেস্কে বসে,
স্বাক্ষী আছে অরুন দাদা যাচ্ছেন কোথায় হেসে।
সারাটা দিন কাটিয়ে দিলেন আড্ডা বাজি করে,
আমি একটু বসছি তাতেই রাগে যাচ্ছেন মরে।
শালার নারী জাতি আজীবনই থাকবে এমন গাধী,
দু:খ লাগে তাদের প্রতি যারা করছে তাদের সাদী।
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)