আমার সম্পর্কে

আমার ফটো
Bangladesh
M.A. in English Literature under National University. My Home District in Comilla.

শুক্রবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০১১

পরিনতি

কিইবা আছে আমার কাছে দেশ জনতার রুদ্ধ শ্বাসে
অতিষ্ঠ প্রায় আমজনতা রোষানলের দু-কুল ঘেষে।
মূল্যবান এই কোটি প্রাণের অমূল্য সব চিন্তাধারা
কিইবা এখন করার আছে না হয় যদি শুদ্ধ তারা।
আমজনতা আমেই আছে মরার মত বেঁচে থেকে
লেংড়া কিংবা গোপাল ভোগও বিষের জলে যাচ্ছে পেকে।

লেংটি পড়ে সাগর পাড়ি কতদিন আর চলতে পারে
খুলে গেলেই লাজের হিসাব চুকে যাবে সাগর পাড়ে।
জোয়ার ভাটা থাকা ভাল, তাই বলে কি বন্যা এসে
প্রতিবারই কেড়ে নেবে সহায়-পাতি হেসে হেসে।
এই করে আর ক দিন বলো টিকা যাবে জগৎ মাঝে
হাল ধরেছে বেহায় নাবিক, তার হাতে কি এসব সাজে।
নিয়ম নীতির ধার ধারেনা, শুধুই বাজে ইচ্চা তাহার
দমের ডগায় চেপে বসে নিচ্ছেরে প্রাণ আমজনতার।

বুধবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০১১

সাক্ষাৎ

আমার প্রানের দাবি মিটাতে আজ আবার এলে ফিরে
আমি থাকবো হেথায় সারা জীবন তোমার পথের নীড়ে।
তুমি আসছো ফিরে, আমার মাঝে, তাতেই আমার সুখ
আমি বয়ে নেবো তোমার পথের সকল ক্লান্তি----দুখ।

এবার বলো কেমন আছো, অনেক দিনের পর
আর যেওনা আমায় ছেড়ে, আমায় করে পড়।
আমি আছি তোমার দোয়ায় অনেক অনেক ভালো
আমার মনে আছো হয়ে জোনাক জোনাক আলো।
সাঝেঁর আলোয় তোমার জন্য রাখছি ফুলের মউ
লক্ষ্মী হয়ে সাঝেঁর মায়ায় সেজো কুসুম বউ।

শনিবার, ৩০ জুলাই, ২০১১

বন্ধু তুমি(নদী আপুকে উৎসর্গ করে)

নদীতে যে ঢেউ আছে ভাই,
সেই ঢেউতে কাটবো সাতার।
ঢেউ আর আমি সংগী হয়ে,
নদীতে ঝড় তুলবো এবার।

নদীর মাঝেই বাচবো আমি,
জলকেলিতে মন ভাসিয়ে।
নদীর বুকেই ঘর বাধিবো
ঢেউয়ের সাথে পাল্লা দিয়ে।

মৎস কন্যা আমার সাথে,
ভেংচি কেটে লোভ ‍দেখাবে।
গভীর রাতে ভেসে ভেসে,
ঘুম পাড়ানির গান শুনাবে।

নদীই আমার সংগ‍ী হবে,
পথিক হয়ে পথ দেখাবে।
সারা জীবন বন্ধু তুমি,
তোমার পা‍শে আমায় পা‍বে।

সোমবার, ২৫ জুলাই, ২০১১

পশ্চিমে হেলেছে দেশ

বাংলাদেশের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ঢুকে গেছে দুর্নীতি
চলছে ধীরে উন্নতি সব মরে গেছে সুনীতি।
সাপ লুডুতে বান্ধা জীবন অন্ধ সবার চক্ষু তাই
ভাল-মন্দ বিচার করার এই দেশেতে মানুষ নাই।
এই দেশেতে মানু আছে কর্ম যাদের শয়তানি
সুযোগ পেলে তারাই আবার সেজে বসেন রাজ-রানী।
দেখলে তাদের যায়না চিনা মুখুশধারী জানোয়ার
নিজের মত আইন বানিয়ে করছে দেশে অত্যাচার।

খুনের বিচার পায়না মানুষ, খুনীর মুখে হাসির রেশ
খুন করিয়া, খুনের খাতায় নাম লেখানোর দিন যে শেষ।
খুন করিলে মুক্তি মিলে, মুক্তি দাতার দয়ার কায়
মুক্তি দাতা বিড়াল পোষেন, বাঘেরে যে ভয় দেখায়।
টাকার সাথে নীতি ঘুরে, দুর্নীতিটা ফরমালিন
নিজের সাথে অন্যকেও রাখছে তাজা প্রতিদিন।

শুক্রবার, ২২ জুলাই, ২০১১

নিত্য কর্ম

আমার একটা বালের কবিতা, একটা দিনেই শেষ
মাগার অন্য হাজার সব কিছুই টিকে আছে বেশ।
আমি দশ-বারো লাইন লিখতে পারলে কবি বনে যাই
ভাবি বিশাল কিছু হয়ে এবার স্বর্গে হবে ঠাই।
দেখি মিথ্যা এসব ভাবনা আমার উলু বনের ফুল
এখন সামনে দেখি আসছে ধেয়ে দু:খ অপ্রতুল।
আমার পুজি বাট্টা যেটুক, তাহা খুবই নগন্য
এতো কম পুজিতে কেমনে আমি হবো অনন্য।

আমি পড়তে যখন বসি আমার পড়ার টেবিলে
তখন ছন্দ এসে পুলক জাগায় ছোট্ট এই দিলে।
আমার ভাই-বেরাদর সবাই আমায় করে অবিশ্বাস
বলে পড়া-লেখায় ফাকি দিলে খাইবো পড়ে বাশ।
আমার শিষ্টাচারে গলদ আছে, মুক্তি আমার নাই
আমি পাপের দেশের রাজা হয়ে পদ্যে দেব ছাই।

রবিবার, ১৭ জুলাই, ২০১১

দ্বিধাদ্বন্দ্ব

আমার মনের লীলা বুঝলনা কেউ, মাথায় বৃন্দাবন
এখন বৃহস্পতির তলানীতে যাত্রী অবুঝ মন।
আমি দুই নায়েতে পা দিয়েছি বেশি লোভের আশে
আমার একটা নায়ে ধাক্কা মারে অন্য নায়ের পাশে।
কখন ডুববো আমি গভীর জলে
কুলহীনা এই সাগর তলে
একলা মাঝি দুই নায়েতে কেমনে হবো পার?

একটা আমার নিজের গড়া, আপন হাতের রেশ
লেগে আছে সব খানেতে রূপ মাধুর্য্য বেশ।
অন্যটা ঐ দূরের দেশের, চোক্ষে দেখি নাই
শুধু জোড়ের বশে মাজে মাঝে একটু খানি বাই।
এখন এই তরিও আমার মাঝে
জল কেলিতে মন কেড়েছে
কেমন করে ত্যাগ করিব, ভাবছি এখন তাই।

দিন কাটে আজ জল কেলিতে, নৌকা দুটো ঘাটে বেধে
হাসি-খুশি কাটাচ্ছি ঠিক, গোপনে যে মনটা কাঁদে।
মনে আমার সূতার বাধন, ঝুলে থাকে সারাটাক্ষন
বাতাস যেদিক বইতে থাকে, সেদিকটাকেই করে আপন।
হাজার আশার স্বপ্ন আমার
কুঁড়ে কুঁড়ে খাচ্ছে আধাঁর
অন্ধকারে ডুবছি আমি বিকট অন্ধকার
আমার সুখ পাখিটা নাইযে সুখে, শুন্যে বসত তার।

সোমবার, ১১ জুলাই, ২০১১

পার্শ্ব অনুভব

চাকরিজীবী একটি মেয়ে প্রথম দেখায় মন কাড়িল
এ কয় দিনে যা বুঝিলাম, মেয়েটি খুব ঘর গোছালো।
ফেল-ফেলিয়ে তাকিয়ে শুধু তাহার চোখের নজর কাড়ি
কখনো বা ইচ্ছা করে মজার ছলে পাতছি আড়ি।
রূপ যে তাহার খুব যে কাঁচা বলবো না তাও রূপবতী
বলবো শুধু তাকে ভেবেই কাটছে আমার দিন আর রাতি।
চাঁদের বুঝি একটি প্রহর আসলো নেমে মনের বাড়ি
তাইতো আমি উচ্ছলিত, উদ্বেলিত, গুলবাহারি।
ঠোট যে তাহার ধনুক বাঁকা রামধনুটির অট্টহাসি
মায়াবি তার কন্ঠ যেন রাখাল ছেলের পোড়া বাঁশি।
হাত দু'খানার শোভা যেন বাড়িয়ে দিল সোনার কাঁকন
মায়াবি তার নখ গুলিও হৃদয় কাড়ে যখন তখন।
একটু খানি তাকাই যখন সব ভুলে যাই এক নিমিষে
চাঁদটা বুঝি আসলো নেমে বসলো শুধু আমার পাশে।
আমি তাহার রূপ দেখেছি, ঢেউয়ের আগে ছলছলিয়ে
কি যে মায়া ছড়ায়!আমি এক পলকেই যাই হারিয়ে।
এই মেয়েটি এখন আমার বায়ের দিকের একটা আপু
বড় আপু বড়ই র'ল হইলো না রে আমার বাপু।