আমার সম্পর্কে

আমার ফটো
Bangladesh
M.A. in English Literature under National University. My Home District in Comilla.

রবিবার, ১১ নভেম্বর, ২০১২

এক টুকরো চাওয়া

তুমি আমায় এত ভালবাস!
অথচ আমি আজো তোমার একটু ভালবাসা পেলাম না,
তুমি সত্যিই রহস্যময়ী।

আমার নয়ন দুটি এগিয়েছে বার বার,
ছুতে চেয়েছে তোমার চাহনীকে,
নিতে চেয়েছে মায়া পরশ,
কিন্তু তুমি ফিরিয়ে দিলে বার বার,
কি আজব কারবার!
এত ভালবাস!
অথচ আমি দেখতেই পেলাম না,
তোমার চোখের পাতায় আগুন ঝরছে, নাকি বৃষ্টি ঝরছে।

তবে কি, মুখের বুলিতেই তোমার এত ভালবাসা?
তুমি পারও বটে,
শত মাইল দূরের অজানা স্মৃতি,
তবু মনে হয় কত কাছে, কত আপন,
চাঁদের হাসিটি অধরাই রয়ে গেল,
থেমে গেল রহস্যময়ী নারীর ভেসে আসা আর্তচিৎকার।

বুধবার, ৭ নভেম্বর, ২০১২

মনের কথন

সে আমায় বারন করে না যেতে ঐ সুরের টানে,
সে সদাই লেপন করে কালিমা তার দেহের বানে,
সে তো আর জানেনা ঐ সুর যে আমার কত আপন,
জানিলে করবে না আর সুরের কাছে যেতে বারন।

সুরেতে মন মজিয়ে ঘর ছাড়িলাম সেই যে কবে,
কত যে কটু কথার ভাগি হলাম সুরের ভবে,
তবু সেই সুর যে আমায় যায় না ছেড়ে এক প্রহরও,
পারি না ছাড়তে আমি সে যে আপন এই আমারও।

পাগলের পাগলামিটা দিনে দিনে যাচ্ছে বেড়ে,
পাগলে আর কত কাল থাকবে পথে স্বজন ছেড়ে,
একেতো সুরের পাগল সুরের মাঝেই সুখের বাড়ি,
সুরেতেই খুঁজবো স্বজন আপনার স্বজন ছাড়ি।

রবিবার, ৭ অক্টোবর, ২০১২

ভেলু ফুফু

পাশের বাড়ির ভেলু ফুফু বয়স ষাটের কাছে
চলন বলন সরল সোজা সব মানুষের কাছে।
দিন অবধি কাজ করে সে নেইকো দেহের টান
সবার কাজেই দেয় সাড়া সে ‍ভুলে নিজের মান।
কখনো কেউ বকা দিলে ফেল ফেলিয়ে হাসে
বলতে শুনি, ”বকা দিছে আমায় ভালবেসে”।
নিজের ঘরে রান্না নেই তো পাশের বাড়িত গিয়ে
খাবার দাবার খেয়ে আসে কাজের বিনিময়ে।
সব মানুষই আপন তাহার মানুষও তাই ভাবে
ভাল মন্দ যে যাই করুক তাকে দিয়েই খাবে।
সরল মনের মনটাতে তার নেইকো ভাবের লেশ
পরের উপকারেই তাহার জীবন করছে শেষ।
ভেলু ফুফুর ভালবাসায় নেইকো ছলের রস
এই কারনে সবাই তারে মানিয়াছে বশ।
এমন সরল এই জগতে দেখিইনাকো আজ
বেঁচে থাকুক সবার মাঝে হয়ে মাথার তাজ।

বুধবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০১২

হাপিত্যেশ


আলোর মাঝে আধার আমি তোমার চলার পথে
নাই বা যদি ভাল লাগে থেকো না মোর সাথে।
চাঁদের আলোয় ঘেরা তোমার ভাবি জীবন তাই
গুটিয়ে নিলাম নিজের চাওয়া তোমার ভালোর লাই।
সুখে থোকো ময়না পাখি ঐ সে দুরের গায়
ক্ষমা যদি না দেও আমায় থাকবো যন্ত্রনায়।
অনেক দিনের সাধ ছিল মোর দেখবো নয়ন ভরে
সেটাকেও দিলাম ‍ছুটি তোমার সুখের তরে।
জানিনা আর কতটা দিন ভাবের হবে মিল
কতটা আর দু:খ পেলে রংটা হবে নীল।

সোমবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০১২

যখন

যখন,
দখিণা পবনে মন
খুঁজে ফিরে তোমার সন,

তখন,
শ্রাবন গগন মেঘ
ডেকে বলে এইতো শোন।

তোর কারনে মেঘ হয়েছে,
রিমঝিম ঝিম সুর তুলেছি,
তোর সুখেরই জন্যে আমি
বৃষ্টি রূপে তাল তুলেছি।

যখন,
ফুল বাগানে গিয়ে মন,
ভ্রমর সেঁজে করে পন।
তখন,
ফুল এলিয়ে বলে শোন
তোর জন্যইতো গড়ছি বন।

যখন,
নদীর তীরে ছুটে যাই
নদী বলে শোনরে ভাই
আঁকাবাঁকা আমার পথ,
তোর প্রিয়ার তুলনা নাই।

বলে,
যৌবন আমার রঙ্গে রসে
পূর্ন থাকে আষার মাসে,
মরা খালেও ভাসি আমি,
চৈত্র মাসে পূর্ন ঘাসে।

যখন,
পাখির কাছে গিয়ে বলি,
পাখিরে মোর মনের কলি,
গা না একটা গান।

তখন,
পাখি বলে অ-বড় ভাই,
তোমায় একটা কথা শুধাই,
গান শুনিতে চাইলে তুমি
শোন গিয়ে প্রেমের শানাই।

রবিবার, ২৬ আগস্ট, ২০১২

অতৃপ্ত শরীর


যত চাও নিয়ে যাও দিয়ে যাও ভরা প্রান
কোলাহলে অনায়াসে ফিরে এসো অবিরাম্।
ছায়া পথে মায়া করে হায়াটাকে মারে ঢুঁ
টুপটাপ ঝরা জলে মিশে আছে কি মধু?
ফিরে ফিরে আসে তরী নড়ে চড়ে ডান বাম
তবু তরী ছাড়ে নাকো মায়া মাখা ধরাধাম।
উবু হয়ে মনে মনে তৃষা খুঁজে যে আদম
সে কি আজ ফিরে যাবে খালি হাতে নরাধম।
যে দেহের ঝলকানি উঁচু নিচু বন্ধুর
সে কি করে সমতায় পাবে তৃষা সুমধুর।
আধারী বা আলো মাঝে যে নারীর দেহ ভাজে
অবিচল খেলা চলে অনুরাগ, অনুভবে
তবু যারে ছুঁয়ে যায় না পাওয়ার বেদনা
সে আমার দুখী বোন লালায়িত ললনা।

বৃহস্পতিবার, ২৬ জুলাই, ২০১২

তিক্ত আলো

চার দেয়ালের দিনটা আমার আধো আলো আধো ছায়া
ঠেকে গেছে দিনের আলো বন্দি যেন এক বেহায়া।
তফাৎ বুঝার তড়িৎ গতি ততক্ষনে বিনাশ হল
আমার আমি আমার মতই হাতরিয়ে যাই দিনের আলো।
মাথার উপর তারার মেলা জোনাক জুড়ে শুধুই বাযে
কি এমন এক অচিন আশায় কাটাচ্ছি দিন দেয়াল মাঝে।
হা-এর পরে হুতাশ আমায় হতাশ করে দিন অবধি
মুক্ত হবার ইচ্ছা আমার মুক্তি দিবে কোন দরদি।
কালের ঘাটে অকাল বাধা সু-কাল আমার অনেক দুরে
আমিও তাই অবলীলায় দ্বন্দ্বে বিভোর চতুর ধাবে।
এই রোযাতে যদি আমায় মুক্ত করে প্রাণ বিধাতা
আমি তারে করবো খুশি যদিও চায় আমার মাথা।