আমার সম্পর্কে

আমার ফটো
Bangladesh
M.A. in English Literature under National University. My Home District in Comilla.

রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০১৫

আবেদন

ঐ দুরেতে আযান আসে আয় নামাজে যাই,
দুহাত তুলে খোদার কাছে সবাই ক্ষমা চাই।
মধুর সুরে ডাকছে মুয়াজ্জিন
প্রান কেরে নেয় প্রান কেরে নেয় অহে অ-মুমিন।
এমন মধুর সুর পাবে না প্রান গেলে উড়ে
হাতে যেটুক সময় আছে কাজে লাগাও তারে।
ও মুমিন ভাই ও মুমিন ভাই, মুর্দা হওয়ার আগে
প্রানের সদকা যাও দিয়ে যাও খোদার অনুরাগে।
দুহাত তুলে ডাকো তারে ওহে দয়াময়
এই অধমের তুমি ছাড়া আর যে কেহ নয়।
তোমার তরে সপে দিলাম পাপ পুন্য প্রান
সঠিক যেন থাকে আমার মনেরই ঈমান।
প্রমান করার সাধ্য আমার এই জগতে নাই
মালাকুলের আগেই হবে ঈমানের যাচাই।
দোয়া করো সবাই সবার আপন আপন ভেবে
একটা হাতের দোয়া কবুল এই ধরাতেই হবে।

১লা অক্টোবর ২০১৫

মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

কালো সুন্দরী

পাশের কালো মেয়েটি সত্যিই কালো,
দ্বিতীয়বার না তাকালে বুঝবেই না, কতটা সুন্দরী।
তার আদ্যপান্ত কালো।
তাই বলে কি সে সুন্দরী নয়, একটু না হয় হলো।
আমি তার রুপ বলবো না, ছি:
রুপ আসলে কি?
যার সরল হাসিতে দৃষ্টি নন্দন বৃষ্টি ঝড়ে, তাই?
যার গাল দুটো কালো জামের কথা মনে করিয়ে দেয়, তাই?
যার ঠোট দুটো সরল রেখায় প্রান্ত ছুঁতে চায়,
যার চোখের ভাষা পড়তে আমার হাজার রজঁনী অপেক্ষায়,
যার কপালের উপরে চুলের নিত্য নৃত্য চলে,
যার ঘন কালো চুল রোজ ঢেউ তুলে।
সে খরগোশের মতই কোমল, ছোট্ট মেয়েটি
চাপা হাসিতে হেটে বেড়ায় চিকন দুটি পায়,
সে কি স্বচ্ছতা!
সে কি শুভ্রতা!
সে কি কোমলতা!
সে কি সুখের পরশে আলতো দোলানো মায়াবি মধুর।

সে কালো কিন্তু ঝগড়াটে,
চোখের পলকে ঝগড়া করে প্রিয় কথাটির জন্য।
না না, সে দোষের নয়, মিষ্টি ঝগড়া
রো---জ করে,
চোখের দিকে তাকালেই বুঝি, সে ঝগড়া করছে।

আত্মমর্যাদায় ডুবে থাকা কালো মেয়েটি আজো কালো।
কালোটাকে সে পরোয়াই করে না।
বলে, "কালো তাতে কি, আমিও মানুষ, সমান অধিকার।
মরে যাওয়ার আগ পর্যন্ত এই সুন্দর কথাটিই ধারন করবো।"


  ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ সকাল ৭:৫২

বুধবার, ১১ মার্চ, ২০১৫

আমি স্বাধীন কিন্তু মুক্ত নই

আমি স্বাধীন কিন্তু মুক্ত নই,
নির্বুদ্ধিতার আড়ালে হুজুগে বাঙ্গালীর স্বপ্ন মাড়ানো অতিথী মাত্র।
আমার অস্থায়ী চাহনী স্বাধীন ভাবে ভাবতে অনুপ্রেরনা দেয়,
মুক্ত চিন্তার অনেক দূরে আমি এক অতিথী মাত্র।
চতুর্পাশে ঘেরা জঞ্জাল আমায় মুক্ত হতে দেয় না,
ডানা মেলে উড়তে দেয় না মুক্ত আকাশে,
আমি তাবু টানানো ঘুমন্ত সৈনিকের মত বিপর্যস্ত।
মুক্ত ভাবে বেঁচে থাকা আমার স্বাধীনতা,
স্বাধীনতা পেয়েছি আমার বংশ পরম্পরায়,
স্বাধীনতা দেখেছি বিশাল মিছিলের ঢেউয়ে,
সে ঢেউ মুক্ত ভাবে বাড়তে দেখিনি কখনো।
আমি মুখ থুবরে পড়ে থাকা শুয়ো পোকা নই,
আমি কুপ-মুন্ডুকে জিইয়ে থাকা কুনো ব্যাঙ নই,
তবুও আমি মুক্ত নই আমার পারিপার্শিকতায়।
কিন্তু আমি স্বাধীন, আমি স্বাধীন, আমি স্বাধীন,
মুক্ত হতে চাই সাধের পৃথিবীতে।

১১.০৩.২০১৫

মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০১৫

অস্ফুট চাওয়া

আমি বলছি না যমুনার জল নীল করে দিতে,
আমি বলছি না আকাশের তারা হাতে এনে দিতে,
আমি বলছি না পদ্নার ইলিশ দিয়ে ভরন পোষাতে,
আমি বলছি ধর্তব্য নিরাপত্তাকে হাতের মুঠোয় গুজে দিতে।

আমি চাইনা অট্টালিকার চূড়ায় বসে পা দুলাতে,
আমি চাইনা কোন রাজা হয়ে ছড়ি ঘুরাতে,
আমি চাইনা কোন দ্বীপপুঞ্জে প্রাসাদ গড়ে দিতে,
আমি চাই ধর্তব্য নিরাপত্তাকে হাতে এনে দিতে।

আমি বেঁচে থাকতে চাই পায়ে মারানো ঘাসের মত,
আমি বেঁচে থাকেত চাই কুড়িয়ে খাওয়া শিশুর মত,
আমি বেঁচে থাকতে চাই জীর্নশীর্ন পাখির মত,
আমি ধর্তব্য নিরাপত্তার চাদরে বেঁচে থাকতে চাই।

০২.০৩.২০১৫

শুক্রবার, ৬ মার্চ, ২০১৫

বেহায়া



আমি এক বিরুদ্ধ বাতাস তোমার আঁচল উড়িয়ে দেই
তুমি ডান হাতে টেনে ধরো বারবার, কত আদর!
আমি গতি বাড়িয়ে উড়িয়ে দিতে চাই সুদূর আকাশে,
তুমি ইতস্তত নমোনীয়তায় টেনে ধরো তোমার আঁচল,
হয়তো মনে মনে গালি দেও, জানোয়ার বলে,
কি করবো বলো,
বাতাস হয়েছি বলে বসন্তে আমিই তোমার প্রেমের বন্ধু,
বাতাস হয়েছি বলে চৈত্রের খরা রোদে আমিই তোমার ছায়া,
বৈশাখে আমিই উড়িয়ে নিই তোমার টিনের চাল।
তুমি আসবে বলে আমি মৃদু তালে বই,
তোমার উড়ন্ত চুলে আমি মিশে যেতে চাই এক নিমিশে।
তুমি কি আমায় চিনতে পারো না?
এইতো আমি, পিছনে ডানে তাকাও,
তোমার চুল ধরে উড়ছি ঢেউয়ের তালে।
এত সুন্দর, এত ঝলমলে!
অথচ তুমি ঢেকে রাখো সব আঁচলের তলে।
আমি ভালবাসি চুল,
তাই বাতাস হয়েছি উড়াবো বলে,
তুমি ঢেকে দিতে চাও?
আমি উন্মাদ হয়ে উড়িয়ে দেব তোমার আঁচল।

০৬.০৩.২০১৫

বুধবার, ২১ জানুয়ারি, ২০১৫

ফিরতি আশা

দায় দিব কি তোমার কাঁধে, কিইবা তোমার দোষ,
আমরা যারা পিতৃহারা,
মাতৃহারা সজনহারা,
আমাদের এই বেহাল দশায় আমাদেরই দোষ।

তোমার হাতে ঢোলের কাঠি, তুমিই বাজাও ঢোল,
দিয়েছি তা আমরা তোমায়,
ভাল বাদ্য শোনার আশায়,
সুযোগ পেয়ে তুমি এখন বাজাও নিজের বোল।
ভুল করেছি, ভুল করেছি, ভুল করেছি, ভুল
আমাদের এই করুন দশায় আমাদেরই দোষ।
দায় দিব কি তোমার কাঁধে, কিইবা তোমার দোষ।

বোধের অভাব আমাদেরই, নিশানাটাই ভুল,
নিজের দোষে মরছি পুড়ে,
রাস্তা কিংবা আপন ঘরে,
নি:স্ব হয়ে দস্যু রাজার দিচ্ছি মাশুল।
ভুল করেছি, ভুল করেছি, ভুল করেছি, ভুল
আমাদের এই করুন দশায় আমাদেরই দোষ।
দায় দিব কি তোমার কাঁধে, কিইবা তোমার দোষ।

আশাতে আজ গুড়েবালি, আশায় ভাঙ্গে বুক,
তবু আশা চাইতে আসি,
আশায় খুঁজি আলোর রাশি,
আপন নিবাস পেতে ফিরে আশাতে মশগুল,
আর হবে না, আর হবে না, হবে না আর ভুল,
নতুন আশা বেধেছি আজ ফিরে পেতে কূল।
২১.০১.২০১৫

শনিবার, ১০ জানুয়ারি, ২০১৫

ধোঁয়ানারী



আধুনিকতার রোষানলে বিলুপ্ত নারীর শোভন সৌন্দর্য্য,
বার হাত শাড়ির ব্যাঙ্গ আলখাল্লা হাঁটুর নিচ অবধি প্রায়।
নেকাব পড়া সুন্দর মেয়েটির নিম্নদেশ বহিরাপ্লুত বর্জ্য,
খন্ডকালীন আবেগে ধরাশায়ী সিগারেটের কালো ধোঁয়া।
নাহ! শিকারী চোখ আজ দুর্বল, নাস্তানুবাদ, পর্যুদস্তু,
কোমল ঠোঁটে চেপে ধরা সিগারেটের ফিল্টার হতে ইচ্ছে করে খুব।
খামখেয়ালী ছেড়ে খেকশিয়ালী শোভন সৌন্দর্য্য দৃশ্যমান,
গোলাপের সাথে ডালিয়ার সৌন্দর্য্য ধোঁয়ার আস্তরে বিবর্ন প্রায়।
ধোঁয়া খাওয়া নারীর সৌন্দর্য্য এখনো অটুঁট।
মৌমাছিরা ফিরে যায়, নর তবু বর্তমান।

১১.০১.২০১৫