আমার সম্পর্কে

আমার ফটো
Bangladesh
M.A. in English Literature under National University. My Home District in Comilla.

শনিবার, ২২ জানুয়ারি, ২০১১

শপথ

বিদ্রোহ যার তুঙ্গে থাকে
সাফল্য তার মুষ্ঠাঘাত।
রক্ততারি বজ্র সম
স্ফুলিঙ্গে হয় কুপোকাত।
অঙ্গে মোদের শক্তি বাঁধা
শপথ নিয়ে সামনে চল।
বিচূর্ন কর দুর্নীতি সব
পিষ্ট করে পদতল।
বিপদ মোদের নিত্য সঙ্গী
করবোনারে কোন ভয়।
করব আদায় মোদের দাবি
যতক্ষন না আদায় হয়।

শুক্রবার, ২১ জানুয়ারি, ২০১১

সাধনা

জটিল কাজে জঘন্য ভাব, সরলতায় মিথ্যাচার।
পুন্য কাজে পাপের হাছিল, সত্য শেখায় অত্যাচার।
মধ্যপন্থী ভুক্তভোগী, ভাগ্য দোষে অবিরাম।
জলকে পানি স্থলকে ডাঙ্গা, এটুক বলেই ধরাধাম।
পাপিষ্ট আজ পথ খুঁজছে, বসন্ত যার অস্তাচল।
দ্বাদশ গেল সুপ্ত ধাচে, অবাক শুনে গুপ্ত ছল।
সবাক যখন সরল ভাবুক, নিত্য শুনে প্রবঞ্চন।
স্বপ্ন ধারক দু:খে হাসে, কাঙ্গালীনির অনশন।
রক্ত গেল পাপের তলে, অশ্রু পেল গঙ্গাজল।
দুর্বিষহ যন্ত্রনা আজ, খাচ্ছে কুঁড়ে দ্বাদশ ফল।

বুধবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০১১

বিষাদী মন

আয়েশের এই পূথিবী, যদিরে পায়েশ হত
ক্ষুধাতুর লাখ জনতা, তারে আজ পিশে খেত।
যদিরে হত রুটি, ধরতো পুটি এই জনতা
তারে আজ ভেজে খেত, রুটির সাথে খুব সাধুতা।
তবে কি ডঙ্কা লেগে সব জনতা মন্দা আভায়?
নাকিরে মন্দ ভাগ্যে পতিত সব, তাও ভাবায়।
এটাতো ক্ষুধার জ্বালা, থাকার জ্বালাও অন্যতম
ক'জনইবা পাচ্ছে দেখ, বাসস্থানের জায়গা সম।
স্বামীকে বলছে কতই, স্বামী যে বয়রা পাজি
সে যে সব শুনেও আবার না শুনার ভান করছে রোজই।
তবে কি তালাক দিবে, এই স্বামীকে এই গূহিনী
নাকি সে আস্তাখুড়েঁ থাকবে পড়ে আজীবনই।
এতসব সমস্যাতেও ভাবছে যখন দারুন আশা
তখনও হোচঁট খেয়ে, হারাচ্ছে তার মুখের ভাষা।
চিরতার মতই এবার এই পূথিবী তাহার কাছে
হঠাৎই গেল চলে, সবকে ফেলে নিজের ধাচে।

মঙ্গলবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০১১

অভিমত

রাজনীতিদের রচনা
করল আবার ঘোষনা,
নামটি তাহার ইশতেহার
চুক্তি নয় তা চটকদার।

ফর্দা আছে এই নোটে
ভাগ্য বাধা কাম ভোটে,
যোগ্য যদি নাই বা পাও
শেষ ভরসা না ভোট দাও।

কু-কর্ম আর কুত্তাচার
লিপ্ত যে সব জানোয়ার,
জেনে শুনে তাদের আর
যায় না দেয়া শাসন ভার।

অযোগ্যদের চাইনা আর
চাই না কোন দখলদার,
ভূমিদস্যু, সন্ত্রাসবাজ
না-ভোটই তার প্রাপ্য আজ।

শুক্রবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০১১

মিথ্যেরাজা

গনতান্ত্রিক এই দেশেতে রাজনীতি না ফাজনীতি?
অবিরাম চলছে দেখো দেশ ধোলাইয়ের সাজনীতি।
যোগসাজশি আমলারা আজ আমন্ত্রিত অতিথি
আরশোলারা ঘরে বসেই উড়ার মারে দিনপ্রতি।
যষ্টি মধু মুখে নিয়ে যাত্রাভঙ্গ করছে আজ
অযথার্থ যিশু সেজে আজকে তারাই যুবরাজ।
বনাল তারা বনিবনা হবে না আর কোন দিন
ল্যাং মেরে তার ঠ্যাং ভেঙ্গে আজ বানিয়ে দেব অর্থহীন।
রাজ পথে নামবো মোরা রাজ্যসভা আমাদের
হটাও তাদের বনাল যারা বিড়াল মারে সমাজের।

হটাও-১

আলবদর আর রাজাকার
ভেঙ্গে ফেল তাদের ঘাড়,
ভ্রান্ত তাদের চিন্ত্ ধারায়
অমঙ্গল এই দেশ মাতার।

ভন্ড এই সব কুত্তাশালা
দাড়ি মুচে ধর্মওয়ালা,
বেদির আসন পেতে তারা
করছে দেশে অবিচার।

হুজুগে ভাব সুযোগ বাদী
কুযোগে আজ বিত্তআদি,
অদ্যপান্তে পদদলে
বিচার কর সব বেটার।

হটাও

আমার দেশের ধণ পরীদ্বয়,
খাচ্ছে কুঁড়ে দেশ জাতিময়।
তাদের কথায় আমরা আজি,
যাত্রা পালার পুতুল সাজি।
সারাটা ক্ষণ নেচে খেলে,
ভাগ্যে মোদের শূণ্য ঝুলে।
এই পরীদ্বয় এই দেশেতে,
থাকলে পরে দেশ-দেশান্তে,
আমরা হব কাল গ্রহ আর
কুল লক্ষীর ভীন জানোয়ার।
পরী দিয়ে হবে কি আজ,
মোদের আছে বিমান জাহাজ।
পরীর ডানা ভেঙ্গে মোরা,
আনব আবার সুখের ধারা।
আনব মোরা জিনের জাতি,
পূণ্য করতে দেশের খ্যাতি।
পরীর ডানায় ভেসে ভেসে,
ভাসছে স্বদেশ আকাশ ঘেষে।
সেখান থেকে দেশ পাতালে,
আনতে হবে পরী দলে।