আমার সম্পর্কে

আমার ফটো
Bangladesh
M.A. in English Literature under National University. My Home District in Comilla.

শুক্রবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১১

কুৎসিত মন

আমার মন চালানোই বড় দায়
তার উপরে তিনটা মেয়ে মনের ঘরে জাত মারায়।
জাতের নারী অজাত রূপে অচীন ঘরে আসছে তাই
চিন পরিচয় জেনে আমি সংগ দেবার ডাক পাঠাই।

আমার রঙ্গ হলো সাড়া
ডাকের দেবী ঘুমাচ্ছে আজ ডাক পাঠাবে কারা।
আমার আবেগ গেল অবলাতে বিবেক গেল মারা
আমার সরলতার সুযোগ নিয়ে করছে নাড়াচাড়া।

দোষ কি শুধুই আমার?
একটা মানুষ তিনটা ধরার সাধ্য আছে কার?
দেখো অবনতি হচ্ছে আজি আমার অবস্থার
একটা নিয়ে ভাব করে যে সেইতো চমৎকার।

মঙ্গলবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০১১

নেত্রী যুগল

আমার দেশের নেত্রীদ্বয়কে কঠিন রোগে ধরেছে
এই কারনে দেশটা আজি জটিল ফাঁদে পড়েছে।
রোগ সারানোর ওষুধ খুঁজে পাচ্ছে না কেউ এই ধরায়
হেকিম গুনি সব জনতা তাদের জ্বালায় পাগল প্রায়।
খুন-সুটিতে মাতেন তারা যখন থাকেন সংসদে
রাত বিরাতে নাটাই চালে বসে নিজের মসনদে।
খেলার ছলে বুলি ছোড়েন গুলির চেয়ে পাওয়ারী
এক বুলিতে লন্ড ভন্ড অর্থ-সম্পদ ঘর বাড়ি।

রবিবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০১১

তর্কাবুল(তর্ক+আবুল)

দেশে দুইটা বলদ আছে আবুল আবুল নাম
বোকার মত হাসে তারা গাধার মত কাম।
একটা আবুল কথা বলে কার্টুন কার্টূন ভাব
আরেক আবুল হেসেই চলে ফেলে দেশের লাভ।
দুই আবুলে মাসতুত ভাই চুরির কাজে বেশ
নিজের ভাল বুঝতে গিয়ে দেশকে করে শেষ।
স্বার্থ বুঝে একটা আবুল অন্যটারে কয়
"হেতার লাগি পকেট ফাঁকা পথতো হবেই ক্ষয়।"
জবাব দিতে তেড়ে এসে ঐ আবুলে কয়
"বলদটাতো বুঝেনা তাই আবোল তাবোল কয়।"
আমি তারে ষোলআনাই দিলাম অনেক আগে
ভাগের টাকা কম পাবে তাই আমার উপর রাগে।
এই করিয়া দুই আবুলে তর্ক অবিরাম
দেশের মানুষ বসছে খুলে হাসির নয়া খাম।

শনিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০১১

লোভ-লালসা

আমার কাছে মধু আছে, আয় জনতা দলেদলে
লেপটে দেবো হাতের তালুই, সাধ মিটাবি সর্বকালে।
এমন মধু এই দুনিয়ায় আর পাবিনা কারো কাছে
সাধের বাটি রাখতে চাইলে ঘুরতে হবে আমার পিছে।

আমার যাদু এমন যাদু টিপ মারাতেই মধু পড়ে
আয় জনতা, আমজনতা, কামজনতা, আমার ঘরে।
সুবাস পাবি মধুর সাথে মিষ্টি তারা সর্বেসর্বা
আগে এলে আগে পাবি আয়রে সকল তরুন যুবা।

আয় যাযাবর গেয়ো মজুর লাইনে দাড়া একে একে
মতামতের ধার ধারিনা,একটু শুধু দেখরে চেখে।
আয় জমিদার লুটেরা সব হাত দুখানা করে খালি
তোদেরকেও বিলিয়ে দেবো মধুর বাটি হালি হালি।

কুটুম হবি আমার বাড়ি, আমি হলাম জাতের নারী
যখন তখন আমার কাছে, মধু পাবি হাড়ি হাড়ি।
মধু খেয়ে যাওয়ার পথে আমায় দিবি একটু ছোঁয়া
তাতেই আমার সাত জনমের অকুল পাথার হবে পাওয়া।

শুক্রবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০১১

পরিনতি

কিইবা আছে আমার কাছে দেশ জনতার রুদ্ধ শ্বাসে
অতিষ্ঠ প্রায় আমজনতা রোষানলের দু-কুল ঘেষে।
মূল্যবান এই কোটি প্রাণের অমূল্য সব চিন্তাধারা
কিইবা এখন করার আছে না হয় যদি শুদ্ধ তারা।
আমজনতা আমেই আছে মরার মত বেঁচে থেকে
লেংড়া কিংবা গোপাল ভোগও বিষের জলে যাচ্ছে পেকে।

লেংটি পড়ে সাগর পাড়ি কতদিন আর চলতে পারে
খুলে গেলেই লাজের হিসাব চুকে যাবে সাগর পাড়ে।
জোয়ার ভাটা থাকা ভাল, তাই বলে কি বন্যা এসে
প্রতিবারই কেড়ে নেবে সহায়-পাতি হেসে হেসে।
এই করে আর ক দিন বলো টিকা যাবে জগৎ মাঝে
হাল ধরেছে বেহায় নাবিক, তার হাতে কি এসব সাজে।
নিয়ম নীতির ধার ধারেনা, শুধুই বাজে ইচ্চা তাহার
দমের ডগায় চেপে বসে নিচ্ছেরে প্রাণ আমজনতার।

বুধবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০১১

সাক্ষাৎ

আমার প্রানের দাবি মিটাতে আজ আবার এলে ফিরে
আমি থাকবো হেথায় সারা জীবন তোমার পথের নীড়ে।
তুমি আসছো ফিরে, আমার মাঝে, তাতেই আমার সুখ
আমি বয়ে নেবো তোমার পথের সকল ক্লান্তি----দুখ।

এবার বলো কেমন আছো, অনেক দিনের পর
আর যেওনা আমায় ছেড়ে, আমায় করে পড়।
আমি আছি তোমার দোয়ায় অনেক অনেক ভালো
আমার মনে আছো হয়ে জোনাক জোনাক আলো।
সাঝেঁর আলোয় তোমার জন্য রাখছি ফুলের মউ
লক্ষ্মী হয়ে সাঝেঁর মায়ায় সেজো কুসুম বউ।

শনিবার, ৩০ জুলাই, ২০১১

বন্ধু তুমি(নদী আপুকে উৎসর্গ করে)

নদীতে যে ঢেউ আছে ভাই,
সেই ঢেউতে কাটবো সাতার।
ঢেউ আর আমি সংগী হয়ে,
নদীতে ঝড় তুলবো এবার।

নদীর মাঝেই বাচবো আমি,
জলকেলিতে মন ভাসিয়ে।
নদীর বুকেই ঘর বাধিবো
ঢেউয়ের সাথে পাল্লা দিয়ে।

মৎস কন্যা আমার সাথে,
ভেংচি কেটে লোভ ‍দেখাবে।
গভীর রাতে ভেসে ভেসে,
ঘুম পাড়ানির গান শুনাবে।

নদীই আমার সংগ‍ী হবে,
পথিক হয়ে পথ দেখাবে।
সারা জীবন বন্ধু তুমি,
তোমার পা‍শে আমায় পা‍বে।