আমার সম্পর্কে

আমার ফটো
Bangladesh
M.A. in English Literature under National University. My Home District in Comilla.

রবিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১২

উচ্ছৃঙ্খল মানবতা।

খুনি হওয়ার ইচ্ছা আমার, নেই কোন ভয় আমার মনে.
ক্ষমা পাওয়ার কায়দা এখন জানা আছে জনে জনে।
রাষ্ট্রপতির দয়ার শরীর খুন করিতে নেইকো মানা
খুন করিব, গুম করিব, কি আনন্দ তা না না না। 
ক্ষমা আমি পাবই পাব, মৃত্যুদন্ড সবই মিছে
সব ক্ষমতার মালিক আমি, ঘুরবে সবাই আমার পিছে।
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি পতিই বটে সব জনতার
চিন্তা আমার খোলস ছেড়ে খুনের দিকেই ছুটছে এবার।

শনিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১২

প্রতিকার চাই

আবার শুরু গলা ব্যাথা, ভাল্লাগে না ভাই
ওষধ খেয়েও হচ্ছে না লাভ, কি আছে উপায়।
গলা আমার পঁচিশ দিনই ব্যাথাতে মশগুল
এ জন্য ভাই সব কাজেতেই হচ্ছে যে ভন্ডুল।
গলা ব্যাথায় কষ্ট সে কি, কি আর বলব ভাই
ডাক্তার, হেকিম সবার কাছে এর প্রতিকার চাই।
কথা বলা, খাওয়া-দাওয়া সব কিছুতেই বাধ
উপায়ান্তর নাই যে আমার হাসি দেওয়ার সাধ।
দিনের বেলায় যেমন তেমন, ব্যাথা বাড়ে রাতে
নাই যে কোন উপায় এখন আমার অবোধ হাতে।
আর পারি না সইতে আমি, ওভাই বড় ভাই
পরামর্শ যে যা দিবেন, নিব আমি তাই।

মঙ্গলবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০১২

আহ্ববান।

একুশের ভাষা একুশেই রয়,
নামজাদা কিছু পা-চাটা কুকুর ভাষাকে করেছে ক্ষয়।
অযথাই তারে, যে যেমন করে, করিছে ব্যবহার,
ধরিত্রির বুকে এ ভাষাই আজি খুলেছে মনের দ্বার।
এ ধরার মাঝে, যে ভাষা বাজে, কর্নের গহীনে,
সে ভাষাই আজ মরিতে বসেছে শকুনের দাবানে।
পাতিয়া যে বুক, আনিয়াছে সুখ, কি দিলেম প্রতিদান,
মানুষের রূপি গোরা শয়তান, না দিলও সম্মান।
এসো বাঙ্গালী, বাংলাদেশি, এসো জনতার দল,
মায়ের ভাষাকে, আপন করিয়া, কথা বলি অবিরল।

রবিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১২

মায়া বসন্ত

এই বসন্তে,
যে পাখি মেঘের আড়াল দিয়ে উড়ে যায় দূর-বহুদূর
সে কি জানে?
এই মায়াবী বসন্ত তার ডানা ছুঁয়ে যায় অবিরাম।
নীল আকাশে ভেসে যায় সাদা মেঘের ভেলা।
যেন মনে হয়,
বা হাত দিয়ে ওড়না উড়িয়ে চলে যায় কোন রূপসী।
যে মেঘের ভাঁজে লুকিয়ে আছে কবির অনুরাগ
সে মায়ার টানে,
কবি আজ পথে নেমেছে মেঘ ছোঁয়ার কল্পনায়।
কৃষ্ঞচূড়ার রক্তিম আভা পথে পথে মাখে রূপ,
যেন বলে সে,
ওগো কবি তুমি দেখো মোর উচ্ছল আনন্দ
আমি আজ সেজেছি আমার রূপ লাবন্য দিয়ে,
প্রকৃতির সৌন্দর্যকে আরো সুন্দর করতে আমি এসেছি আবার,
হে কবি তুমি দেখ চেয়ে,
কি সুন্দর সাজ আজ এ ধরায়.

রবিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০১২

বসন্ত জাগ্রত দ্বারে

বসন্ত আমার শয়নে আমাকে জাগায়
কোকিলের মায়া তান ভেসে যায় অজানায়।
সুরে সুরে জাগে প্রান উড়ে চুল বাতাসে
কিশোরীর কাঁচা গায় দোল দেয় আবেশে।
গাদা ফুল চুলে দোল খেয়ে যায় সারা দিন
তারপর---
তারপর খাওয়া-দাওয়া, চটপটি, ঝালমুড়ি
সিঙ্গারা, টকদই, চকলেট, মায়াবড়ি
হা হা হা হা কি খাওয়ালে সারাক্ষন
বসন্ত জেগে থাক এ ধরায় আজীবন।
দিন শেষে মিযা ভাই গাদা ফুল একগাদা
বাড়ি এনে দেখে তার বউ সেজে আছে রাধা।
কি কপাল মিয়া ভাইর, দেখ দেখ কান্ড
সারা দিন কিশোরীতে,
মজে ছিল বেহায়াতে,
রাতে আবার বউ তার হয়ে গেল ভান্ড।
হা হা হা হা কি খারাপ মিয়া ভাই
বসন্ত এলে তার ভালবাসা বেড়ে যায়।

সোমবার, ৩০ জানুয়ারি, ২০১২

মরার মিছিল


ফুটুস ফাটুস মরছে মানুষ গোলন্দাজের গুলি খেয়ে
এই দেশেতে আজীবনই মরবে আরো হোচট খেয়ে।
নিয়ম নীতি ভরকে গেছে আলুর বস্তা এই জনতা
আছাড় খাবে রোজই তারা চলছে এটার প্রবনতা।
আজকে মরে দুর্ঘটনায় কালকে মহা গেন্জামে
পরশু দেখো গুম করা লাশ পরে আছে ডান বামে।
মৃত্যু এখন হাতের মোয়া চাইলে তারে ছোঁয়া যায়
অহরহ মরছে মানুষ চিপা খোলা সব জা‘গায়।
দেশে কি ভাই জনগনের কদর গেলো অযথাই?
না কি তারা নিজেই নিজের কদরটাকে দেয় ধোলাই?
মান ইজ্জতের ধার ধারেনা, এই দেশেতে এমন লোক
লুটে পুটে খাচ্ছে যেন অন্ধ হলো জাতির চোখ।
জাত মেরেছে এই জাতিটার হায়রে অবোধ বাঙ্গালী
মায়ের নামে ছাফাই গেয়ে মাকেই দিলি শেষ কালি।
মরছে মানুষ চতুর্দিকে বাঁচার কোন রাস্তা নাই
দাফন কিবা চিতার আগেই প‍ঁচা লাশের গন্ধ পাই।
গুনী লোকও যাচ্ছে মরে হচ্ছে ফাঁকা বাংলাদেশ
সব মানুষের চির সাথী হলো যেন দু:খ ক্লেশ।

মঙ্গলবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০১২

মাঝ রাতের অভিমান


আই লাভ ইউ জরিনা
তোরে আমি ভুলবা না।
বিয়া করুম বৈশাখে
বাসর করুম শেষ রাতে।
বাচ্চা দিবি এক জোড়া
ঘরে কিংবা ঘর ছাড়া।
পোষ মানাবি তোর মত
টাকা দিব চাস যত।
আমি দিব সব যোগান
চাইলে দিব নিজের জান।

ঐ জরিনা কোথায় যাস
একই সাথে করব বাস।
তুই কি আবার করলি রাগ
খাটের দিমু অর্ধ ভাগ।
আয় জরিনা ফিরে আয়
এত রাতে যাস কোথায়।
আরে জ্বালা! কথা শোন
লক্ষি আমার একটু শোন।
করুম না যা তোরে বিয়া
বুঝিস না তুই আমার হিয়া।
কিইবা এমন বললাম আমি
আমি না তোর হবু স্বামী।
বুঝিস না কেন্ তুই আমারে
ঘর বাঁধিবি কেমন করে।

ওরে এত রাগ কেন তোর
এমন করে হবে যে ভোর।
রাগটা ভাঙ্গা জলদি করে
ঠান্ডা লাগবে আয়রে ঘরে।
না হয় আমি গেলাম চলে
তুই থাক একা আমায় ভুলে।