আমার সম্পর্কে

আমার ফটো
Bangladesh
M.A. in English Literature under National University. My Home District in Comilla.

রবিবার, ২৬ আগস্ট, ২০১২

অতৃপ্ত শরীর


যত চাও নিয়ে যাও দিয়ে যাও ভরা প্রান
কোলাহলে অনায়াসে ফিরে এসো অবিরাম্।
ছায়া পথে মায়া করে হায়াটাকে মারে ঢুঁ
টুপটাপ ঝরা জলে মিশে আছে কি মধু?
ফিরে ফিরে আসে তরী নড়ে চড়ে ডান বাম
তবু তরী ছাড়ে নাকো মায়া মাখা ধরাধাম।
উবু হয়ে মনে মনে তৃষা খুঁজে যে আদম
সে কি আজ ফিরে যাবে খালি হাতে নরাধম।
যে দেহের ঝলকানি উঁচু নিচু বন্ধুর
সে কি করে সমতায় পাবে তৃষা সুমধুর।
আধারী বা আলো মাঝে যে নারীর দেহ ভাজে
অবিচল খেলা চলে অনুরাগ, অনুভবে
তবু যারে ছুঁয়ে যায় না পাওয়ার বেদনা
সে আমার দুখী বোন লালায়িত ললনা।

বৃহস্পতিবার, ২৬ জুলাই, ২০১২

তিক্ত আলো

চার দেয়ালের দিনটা আমার আধো আলো আধো ছায়া
ঠেকে গেছে দিনের আলো বন্দি যেন এক বেহায়া।
তফাৎ বুঝার তড়িৎ গতি ততক্ষনে বিনাশ হল
আমার আমি আমার মতই হাতরিয়ে যাই দিনের আলো।
মাথার উপর তারার মেলা জোনাক জুড়ে শুধুই বাযে
কি এমন এক অচিন আশায় কাটাচ্ছি দিন দেয়াল মাঝে।
হা-এর পরে হুতাশ আমায় হতাশ করে দিন অবধি
মুক্ত হবার ইচ্ছা আমার মুক্তি দিবে কোন দরদি।
কালের ঘাটে অকাল বাধা সু-কাল আমার অনেক দুরে
আমিও তাই অবলীলায় দ্বন্দ্বে বিভোর চতুর ধাবে।
এই রোযাতে যদি আমায় মুক্ত করে প্রাণ বিধাতা
আমি তারে করবো খুশি যদিও চায় আমার মাথা। 

রবিবার, ২০ মে, ২০১২

চাঁদ রুপসী

চাঁদের বুড়ি মুচকি হাসে ঐ যে দূরের গায়
বন-বাদারে ইচ্ছা করে আলোয় মিশে যাই
রূপযে তাহার অনেকখানি
নয় সে তবু অভিমানি
দিল খোলে সে দেয় বিলিয়ে রূপের পুরুটাই
সে যে রূপের বুড়ি তাই
তাহার রূপের অন্ত নাই।

চাঁদের আলো জলের উপর রূপার খনি মেলে
দেয় বলে সে দেখবে না কেউ অন্য কোথাও গেলে
এই রূপেতে বিশ্ব মাতে
প্রেম সোহাগে গভীর রাতে
চরনখানি দেয় ধুয়ে সে আপন মহিমায়
সেযে রূপের বুড়ি তাই
তাহার রূপের অন্ত নাই।

টিনের চালে ঝিকিমিকি করে চাঁদের আলো
এক পলকেই প্রান কেড়ে নেই দেখবে যদি চলো
যার যা খুশি যাই নিয়ে যাই
হিস্যা দেবার নেই কো বালাই
রূপের টানে যাই হারিয়ে কোন সে অজানায়
সেযে রূপের বুড়ি তাই
তাহার রূপের অন্ত নাই।

বুধবার, ৯ মে, ২০১২

অপেক্ষা

জলতরঙ্গের ঢেউ খেলে যায় ঐ যে দুরের গায়
কবি আমায় দেয় না দেখা আবছা নিরালায়।
হঠাৎ করে ছাউনি ঘরে কবির আগমন
তরতরিয়ে গিয়েও আমি পেলাম না তার মন।
কবি আমায় দেয় না দেখা ঠুনকো অযুহাত
কোলের বালিশ যাই ভিজিয়ে ঘুমের সারা রাত।
আবছা আমার মনের বাড়ি কতেক প্রহর বাস
ধীরে লয়ে উঠছে বেড়ে মনের দুর্বাঘাস।
কবি আমার সাধের মানব স্বপ্নে পাওয়া ধন
অপলকে থাকবো চেয়ে কবির আগমন।

মঙ্গলবার, ৮ মে, ২০১২

মায়া ভরা চাহনি

যদিও বা আমি নই যে তোমার
তুমি যে আমারই হও,
আমারই হৃদয়ে ভাসিয়ে দিয়েছ
রুপ সাগরের নাও।

আমি যে পাগল কত কিছু করি
সবই যে তোমারই জন্য,
কি কারন বল এত কিছু হায়
তবুও যে আমি ধন্য।

যে মায়ার ডোরে বেধেছি হৃদয়
তাহা যে তোমারই দান,
তোমারই চোখেতে তাকিয়ে আমি যে
টিকিয়ে রেখেছি প্রান।

যে চোখের টানে সারা দিন ভর
ঘুরি আমি পথে পথে,
কি মায়া-তার কি আগুন ঝরে
কি শোভা চাহনীতে।

আপেলের মত চোখ দুটো তার
তীরের বেগেতে ছুটে,
যায় নিয়ে যায় আমারই হৃদয়
হেরিয়া নয়ন টুটে।

চাহনিতে তার কবে যে আবার
মুক্তার ছলাছল,
ছুটিয়া সে যায় দুর বহু দুর
নেই তার কোলাহল।

সে আমার প্রিয়া কাড়িয়াছে হিয়া
চাহনির মায়া জালে,
স্বপনেতে তাই চলিয়া যে যাই
চাহনির ধরা তলে।

এত মায়া তার চাহনীতে আমি
দেখি নাই আর কারো,
চেয়ে চেয়ে শুধু টানি আমি তার
চাহনির মায়া আরো।

প্রিয়া কি জানে কি মায়ায় রাখে
আমাকে বাধিয়া আজ,
আমি শুধু জানি চাহনিতে তার
কতযে মধুর সাজ।

আমি চেয়ে রই অবলার মত
তার মায়া চোখ পানে,
জানিনা সে চোখ কি এমন রাগে
তুলিয়াছে সুর গানে।

শনিবার, ৫ মে, ২০১২

বর্ষা বাদল দিন

আউলা সুরে গান গেয়ে যাই কদম গাছের তল
টুপটুপাইয়া বৃষ্টি পড়ে
আকাশ থেকে তরে তরে
হাত উচিয়ে এবার সবাই সমস্বরে বল
মেঘ আয়রে আয়.....................
চইলা গেল নয়া ভাবি কাপড় না ভিজায়।

আষাঢ় আসিয়া আমার ভিজালো যে হিয়া
করবো গোসল বৃষ্টি জলে
ছোট বড় সবাই মিলে
ঝাক বাধিয়া করবো গোসল খোলা মাঠে আয়
বল আয়রে আয়.......................
করবো গোসল বৃষ্টি জলে সবাই মিলে আয়।

ডাকছে আকাশ গুড়ুম গুড়ুম কাঁপছে আমার বুক
যাইরে চলে ঘরের ভিতর
খাইবো রে বোট কডর মডর
অনেক মজা খাইতে তোরা সবাই মিলে আয়
খেতে আয়রে আয়........................
বোট এনেছে নয়া ভাবি জলদি করে আয়।

সোমবার, ১৬ এপ্রিল, ২০১২

অফিস টাইম

চারিদিকে সমাগম, করে শুধু গমগম,
কখনো বা নির্জন,
একলা একা লাগে জম ।

ডেস্কটপেতে সারাদিন, শোধ করি নিজ ঋন,
কখনো বা অবসর,
কাজ ছাড়া কাটে দিন।

অবসরে চ্যাটিংয়ে, না হয় একটু ব্লগিংয়ে
কখনো বা আড্ডা,
ফাঁকে ফাঁকে মিটিংয়ে।

পাশে থাকা বসরা, দেয নানা খসড়া
দৌড় ঝাপ সাথে থাকে
কাগজের পশরা।

লাঞ্চ করে দুপুরে, চলে যাই উপরে,
ঘুম লাগে চোখে তাই,
চিল্লা চিল্লি সজোরে।

সন্ধ্যায় কাজ শেষে, বাসা যাই হেসে হেসে,
জ্যামে, ঘামে হয়রানি,
তারপর ঘুমের দেশে।