আমার সম্পর্কে

আমার ফটো
Bangladesh
M.A. in English Literature under National University. My Home District in Comilla.

মঙ্গলবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৩

কিছু সময়



কানের কাছে একটি মশা ভেন ভেনা ভেন করছে রে
খাপ্পর দিলে চিপা দিয়ে ফুরুৎ করে যায় দুরে।
একটু পরে আবার এসে হাতে বসে কামড় দেয়
কি বেহায়া মশা দেখো আমার গায়ের রক্ত নেয!
এবার দিলাম খাতার বারি তাতে ও সে মরে না
কি চালাকের চালাক রে ভাই ধৈর্য্যে আমার ধরে না!
ক্ষানিক বাদে আবার এসে কানের কাছে ভনর ভন
কি জ্বালাতে পরলাম আমি কাজে কর্মে বয় না মন!
অবশেষে ব্যাটটা এনে দিলাম বাড়ি আফেতাফ
মরলো এবার পিচকা মশা বাঁচলাম আমি ছেড়ে হাফ।

বুধবার, ২০ মার্চ, ২০১৩

চাওয়া



আমার ঘরে কালোর তীব্রতা
আমি পাইযে কোথায় আলো,
অনুরোধের ঢিলটা আমি চাঁদের উপর ফেলি
কারন চাঁদটাই শুধু স্বার্থবিহীন বিক্রি করে আলো।

চাঁদের সাথে কোন সখ্য নেই
নেই যে লেনাদেনা,
চাঁদের সাথে প্রথম পরিচয়
উঠোনের এক কোনা।
সেদিন থেকেই দেখছি আমি মিষ্টি হেসে চাঁদ
বিলাচ্ছে তার আলো,
তাই অনুরোধের ঢিলটা আমি চাঁদের উপর ফেলি
কারন চাঁদটাই শুধু স্বার্থবিহীন বিক্রি করে আলো।

চাঁদের মাঝে নেই কো কৃপনতা
দেখিও নি তাই,
দেখার মাঝে দেখছি শুধু চাঁদের চলে যাওয়া
একটু একটু করে পুরুটাই।
আবার সে চাঁদ আসছে ফিরে বিশাল আকাশ ‍জুড়ে
বিলাচ্ছে তার আলো,
তাই অনুরোধের ঢিলটা আমি চাঁদের উপর ফেলি
কারন চাঁদটাই শুধু স্বার্থবিহীন বিক্রি করে আলো।

বুধবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩

অনাবিল ভালবাসা

ভালবেসে ভালবাসি ভাললাগা অফুরান
ভালবাসা তিলে তিলে বেধে ফেলে দুটি প্রান।
মায়া জাগে হিয়া মাঝে ছায়া ঢাকা কায়মন
আদরে আদরে বাড়ে ভালবাসা ক্ষনে ক্ষন।
শত শত আশা মনে ভিড় করে বলে তাই
দু'জনে চেয়েছি যেন বেঁচে থাকি শুদ্ধতায়।

মঙ্গলবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩

আজ বসন্তকে উৎসর্গ করলাম আন্দোলনের নামে।

আমি কতটা অপরাধী জানিনা, কতটা ভাল মানুষ তাও বলতে পারি না।
বলার আকাঙ্খা থাকলেও চাহিদার দৌড়ে পিছিয়ে পড়ি।
তাই বলে অপরাধের কাঠগড়ায় ফাগুনের আগুল জ্বালাবো না, তা হতে পারে না।
আমি আজ বসন্তকে বিসর্জন দিলাম,
আর ফাগুনের আগুনকে উৎসর্গ করলাম আমাদের আন্দোলনের নামে।
যে আন্দোলন আজ জাতির বিবেক হয়ে দাড়িয়েছে সহশ্র প্রাণে।
যে আন্দোলন স্তব্ধ করে দিয়েছে তিন মিনিটের জন্য।
যে আন্দোলন আমার মায়ের জন্য,
যে আন্দোলন আমার বোনের জন্য।
যে আন্দোলন ত্রিশ লাখ শহীদের আত্মার শান্তির জন্য।
সেই আন্দোলনই আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ বসন্ত।

বুধবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩

স্বাধীনতার মান



ও আমার স্বাধীনতা তুমি কত দূর
কতটা আর রাত পোহালে তোমার হবে ভোর।
তুমি কি কেবলই শুধু কষ্ট খেয়ে বাচোঁ,
নাকি তুমি নীরব ধ্যানে নিথর ছবি আকোঁ।
তুমি কি জানোনা তোমার অষ্ট প্রহর ধরে,
শকুন-শিয়াল খাচ্ছে তোমার দেহ খুড়ে খুড়ে।
কেন তুমি নীরব এত, কিসের তোমার ভয়,
তোমার ভ্রাতা-ভগ্নি-পিতা কেউ কি তোমার নয়।
কিসে তোমার ভয় বলোতো কিসে তোমার ভয়
রক্ত দিয়ে ঠেকাবো আজ তোমার পরাজয়।
চেয়ে দেখো তোমার বীরের স্কয়ার আগমন
দলে দলে মুষ্ঠি বেধে করিয়াছে পণ।
উঠছে জেগে আমজনতা ফুঁসছে সারা দেশ
এবার বিচার হবেই হবে বেশ বেশ বেশ।

রবিবার, ২ ডিসেম্বর, ২০১২

মুক্তি মালেক

এই যে চুল-দাঁড়ি পেকে যাওয়া লোকটি দেখছেন,
বড্ড সাহসী,
কাঁধে রাইফেল নিয়ে ঘুরে বেড়িয়েছেন গ্রামের পর গ্রাম
মাঝ রাতে অস্ত্রের ধাওয়া থেকে বাঁচিয়েছেন আমার দাদাকে।

দুরন্ত-দূর্বার, ছুটে চলে অবিরাম, মাঠ-ঘাট প্রান্তর,
পিছনে তাকানোর সময় নেই, শুধুই বিপদ,
রক্ত গরম ঠেকাতে ভারতে গিয়ে প্রশিক্ষন নিয়েছেন যুদ্ধের,
ফিরে এসে বাঁচিয়েছেন হাজারো প্রান, অবলার সম্ভ্রব।
সাহসী পদক্ষেপে যুদ্ধ করেছেন পাকী বর্বরদের বিরুদ্ধে।
হজ্ব করতে গিয়ে যেমন শয়তানকে কংকর নিক্ষেপ করা হয়,
তেমনি অস্ত্রের কংকর নিক্ষেপ করেছেন পাকীদের বিরুদ্ধে।
এখন তিনি বৃদ্ধ, হয়তো প্রহরে প্রহরে মৃত্যুর গন্ধ পাচ্ছেন,
তার কামান সম হাত আজ আর কলম ধরতে পারে না।

শিক্ষকতা ছেড়ে দিয়েছেন অনেক আগেই,
তাঁর নাম আব্দুল মালেক,
দেশ স্বাধীন হ্ওয়ার পর নাম হয়েছে মুক্তি মালেক,
তিনি শুধু আমার গ্রামেরই না,
সারা দেশের গর্ব, সারা দেশের অহংকার।

সোমবার, ১২ নভেম্বর, ২০১২

ভাবনাহীন কল্পনা

কবি : মো: ইয়াকুব আলী
 
আমিতো বিজ্ঞানের কিছুই জানিনা,
কি লিখবো আজ।
দুই মিনিট ভাবি তো তিন মিনিট ঝিমাই।
সব চেয়ে বড় কথা হলো,
আমাদের দেশে তো বিজ্ঞানের বলার মত কিছুই নাই।
তাহলে আমার চিন্তা শক্তি এর মধ্যে হাটু গেরে বসবে কেমন করে।
কত কিছুইতো হতে হতে হলো না,
এখন দেখা যাক ”বঙ্গবন্ধু-১” হয় কি না,
নাকি এইটাও ফাঁকি দেয়।
এই ফাঁকির দেশে বিজ্ঞানও ফাঁকি খায়,
আর আমরা তো সাধারন মানুষ,
ফাঁকির মধ্য দিয়েই যাতায়াত।
তবে আমাদের দেশে যে কয়জন বিজ্ঞানী আছেন,
তাঁরা যদি এই ফাঁকিটাকে কিভাবে বিজ্ঞানে কাজে লাগানো যায়,
সে চেষ্টা করতো,
তবে মনে হয়,
ফাঁকিবাজি ‍অনেকাংশে বৈজ্ঞানীক রূপ লাভ করত।
যা হতো পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম।
বিজ্ঞান হচ্ছে এক ধরনের জ্ঞান, আর
মনের মধ্যে কিঞ্চিত আল্পনা হচ্ছে কল্পনা।
সেই সুবাদে বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী হলো,
কল্পনার জগতে বিজ্ঞানকে নিয়ে লীলাখেলাই হলো বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী।