আমার সম্পর্কে

আমার ফটো
Bangladesh
M.A. in English Literature under National University. My Home District in Comilla.

সোমবার, ৩ মার্চ, ২০১৪

ব্যাচেলর বিড়ম্বনা


বইয়ের বাজার হরেক রকম
মাছের বাজার চড়া,
মাছ ছাড়া তাই ভাই খেয়েছি
ভেজে ডালের বড়া।
এই তো ছিল দুপুর বেলার
খানা-পিনার গপ,
রাত্রি বেলা খাব কি তাই
ভাবছি বসে সব।
বুয়ার বাসা বস্তি পারা
টিনের চালের ঘর,
বৃষ্টি এসে হানা দিলে
কাঁপে থরো থর।
সেই কাঁপুনির দোহাই দিয়ে
রান্না করে বেল,
ব্যাচেলরের গুষ্টি সকল
বুয়ার কাছে ফেল।
এমনি করেই কাটছে সকল
ব্যাচেলরের দিন,
আর কত কাল থাকবে এমন
সঙ্গী-সাথী হীন।
আরো অনেক ঝুট-ঝামেলা
নিত্য দিনের সই,
হাড়ি মাজা, বাসন-কোসন
নিজের করে লই।
ভাড়া বারায় মালিক বেটা
বছরে দুই বার,
আরো অনেক কান্ড ঘটে
ব্যাচেলরের দ্বার।

সোমবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪

বসন্ত বৃষ্টি

আমার মিষ্টি তিনটি প্রেম,
তিন দিকে রয়,
দিন কিবা রাত কি বলো,
হুটহাট দুষ্টুমি হয়।
বৃষ্টিতে আরো বাড়ে ভাব,
যার যার ষোলআনা চাই,
বসন্তে শার্ট ভেজা বৃষ্টির জল,
নিয়ে নেয় তারা পুরোটাই।


এই ঋতু ভালবাসা দেয়,
টান বাড়ে দু’জনে দু’জন,
আদরে আদর বাড়ে ঠোট কিবা গালে,
ঘর ছেড়ে সেই নির্জন।
বৃষ্টিতে আরো বাড়ে ভাব,
যার যার ষোলআনা চাই,
বসন্তে শার্ট ভেজা বৃষ্টির জল,
নিয়ে নেয় তারা পুরোটাই।


আমার এই তিনখানা প্রেম,
ছুড়ে দেয় তিন আবদার,
আমি নিশ্চুপ, নিশ্চিত চোখে,
ভাব ধরি যেন দেনাদার।
বৃষ্টিতে আরো বাড়ে ভাব,
যার যার ষোলআনা চাই,
বসন্তে শার্ট ভেজা বৃষ্টির জল,
নিয়ে নেয় তারা পুরোটাই।


অনিয়ম জানি এটা লাজ,
বেহায়ার নিম শিরমনি,
ভুলে যাই ভাবে মজে তাও,
ডাক শুনে বাবু, সোনামনি।
বৃষ্টিতে আরো বাড়ে ভাব,
যার যার ষোলআনা চাই,
বসন্তে শার্ট ভেজা বৃষ্টির জল,
নিয়ে নেয় তারা পুরোটাই।
                            ১৭-২-২০১৪

শনিবার, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪

মায়া স্পন্দন


যে নারীর নীরব চলা নীল পরীদের সাথে
সে নারীর শুভ্র চলার সাহস কি হয় প্রাতে।
সে তো রোজ গভীর রাতে রবির আলো ধরে
ময়না, টিয়া, শালিক সেজে সখের পীরিত করে।
তারে আজ কোন ছলনার, কোন বাসনার তরে
শুভ্র মেঘের ভেলাতে রোজ রূপ দর্শন করে।
কি এতই নম্র নিচু, উচু পাহাড় বেয়ে
পাখিরা রোজ আদার খোঁজে সেই পাহাড়ে গিয়ে।

সে তো রোজ যাত্রী সেজে জাহাজ কেবিন খায়
কখনো বা পাত্রী সেজে পুষ্প দোলা পায়।

ধীরে রোজ হচ্ছে ছায়া, মায়ার বাধন ছেড়ে
তারে আজ মনে পড়ে, অনেক মনে পড়ে।
নারী থেকে পরী হলো পাখনা এলো গায়
কবির মনের খোড়াক হলো মিছে দুনিয়ায়।

বুধবার, ১৩ নভেম্বর, ২০১৩

হরতালের গান।



এই হরতাল,
আমার ব্যস্ত জীবনে এক আতংক নিয়ে এসে টেনে ধরে স্বাভাবিক পথ,
আমি এক পা সামনে তো তিন পা পিছনেতে সাত পাঁচ ভেবে হই স্লথ,
এই হরতালে পেটে লাথি,
কেউ কারো নয় সাথি,
কে দিবে আগামীর ডাক।
এই মুন্সিয়ানার ভাব,
দেখেনা কারো অভাব,
ভাবে সব গোল্লায় যাক।
চিন্তায় জেকে ধরে, বার বার মনে পড়ে, আমরাই ম্যাংগো পিপল,
ক্ষুধা মিটাবার তরে, দৌড় ঝাপ করে করে, হয়ে গেছি যেন বেসামাল,
এই হরতাল।

এই হরতাল,
ভাংচুর, অগ্নি, বোমাবাজি করে এক ধ্বংসের খেলা খেলে যায়,
অসহায় পথচারি হুটহাট করে এর শিকারে পরিনত হয়,
এ যেন এক ঋন,
শোধ চলে দিন দিন,
বেড়ে চলে নিত্য অভাব।
এ কাজের শেসে কবে,
হবে কি, না আরো হবে,
দিবে কেউ সঠিক জবাব।
চিন্তায় জেকে ধরে, বার বার মনে পড়ে, আমরাই ম্যাংগো পিপল,
ক্ষুধা মিটাবার তরে, দৌড় ঝাপ করে করে, হয়ে গেছি যেন বেসামাল,
এই হরতাল।

বুধবার, ২ অক্টোবর, ২০১৩

ঘুম বিয়োগ




ঘুমের সাথে সখ্য আমার অনেক দিনের
ঘুমকে তবু হারাতে হয় মাঝে মাঝে
রাত বিরাতে ঘুম তাড়াতে আমার ফোনের
রিংটোনটা হঠাৎ করেই উঠে বেজে।

ঘুমটা আমার অতি আপন সকাল বিকাল
তাইতো তাকে ছাড়তে আমার এত দ্বিধা
উপায়-অন্ত পাইনা একি ঘুমের আকাল
পড়ছে আমার চোখে নাকি অন্য বাধা।

ঘুমের বেলায় নেই যে আমার কোন আপোষ
ঘুমাতে চাই মনটা ভরে যত খুশি
কিন্তু সে ঘুম কেন যেন মানছে না পোষ
এখন আমি কোথায় গিযে কারে দুষি।

বিচ্ছিরি তাই কাটছে সময় ঘুমের বেলা
জানিনা আর কতটা দিন এমন হবে
আগের মত ঘুমাতে চাই সারাবেলা
কিন্তু সে ঘুম আমার কাছে আসবে কবে?

রবিবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৩

সদ্য সমাপ্ত



মনের খাচাঁয় বন্দী আমি নারীর কাছে নগন্য
প্রেমে আমার জাত মারিয়া মান করিল সামান্য।
আমি এবার ঘুরে ঘুরে আপন মনে মহাজন
আমাকে আর ঠকাবে কে, বুঝে গেছি মন হরন।

আমি তরুণ অরুণ রোধে অরণ্যতে সাবলীল
হাজার বছর বাচঁবো সেথায় শান্তি-সুখে অনাবিল।
কাঁচা স্মৃতি দাফন করে রেখে এলাম কবরে
এখন আমি মুক্ত পাখি মুক্তাকাশে মন উরে।